23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিরিজওয়ানা হাসান সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল আচরণে আহ্বান জানালেন

রিজওয়ানা হাসান সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল আচরণে আহ্বান জানালেন

রিজওয়ানা হাসান, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবারের একটি প্রকাশ্যে উল্লেখ করেন যে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে সব রাজনৈতিক দলের উচিত দায়িত্বশীল ও শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা ও নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সকলের যৌথ দায়িত্ব।

এই মন্তব্যটি দেশের সর্বশেষ নির্বাচনী চক্রের প্রস্তুতির সময়ে করা হয়, যেখানে ২০২৬ সালের শেষের দিকে জাতীয় সংসদীয় নির্বাচন নির্ধারিত। পূর্বের নির্বাচনে দলীয় সংঘর্ষ, হিংসা এবং ভোটার হুমকি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা গিয়েছিল; তাই এখনের পরিবেশে শান্তি রক্ষার প্রয়োজন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

রিজওয়ানা হাসান উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনী কোডের প্রতি কঠোরভাবে আনুগত্য করতে হবে, অবমাননাকর ভাষা, গুজব এবং ভোটার ভয় দেখানোর কোনো প্রচেষ্টা ত্যাগ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল ভোটিং সিস্টেমের সূচনা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্টিগুলোকে তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, নিরাপত্তা বাহিনীর যথাযথ মোতায়েন এবং নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সরকার ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রধান বিরোধী দলগুলো থেকে কিছুটা ভিন্ন প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। কিছু নেতৃবৃন্দ রিজওয়ানা হাসানের আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে নির্বাচনী শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নিজেদের প্রচেষ্টা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন, আর অন্যদিকে কয়েকটি দল এখনও স্পষ্ট মন্তব্য না দিয়ে থাকে। তবে সকল প্রধান দলই নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সমন্বয় করার ইঙ্গিত দিয়েছে।

সিভিল সোসাইটি সংগঠনগুলোও একই বার্তা পুনরায় জোরদার করে। মানবাধিকার সংস্থা ও নাগরিক অধিকার গোষ্ঠীগুলো সরকার ও দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ভোটারদের নিরাপত্তা, তথ্যের স্বচ্ছতা এবং হিংসা-মুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। তারা বিশেষ করে যুব ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল ভোটিং সিস্টেমের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

দলীয় দায়িত্বশীলতা না মানলে সম্ভাব্য ঝুঁকি বাড়তে পারে; ভোটারদের মধ্যে অবিশ্বাস, নির্বাচনী ফলাফলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে। রিজওয়ানা হাসান উল্লেখ করেন, এমন পরিস্থিতি দেশের আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষুন্ন করতে পারে এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে নির্বাচনী কোডের লঙ্ঘন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে এবং লঙ্ঘনকারী দল বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে নির্বাচনের পূর্বে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংক্ষেপে, রিজওয়ানা হাসানের আহ্বান দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে কাজ করছে। সকল দল, সরকার এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া নির্বাচনের সাফল্য অর্জন করা কঠিন হবে। ভবিষ্যতে যদি এই আহ্বানকে বাস্তবে রূপান্তরিত করা যায়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে।

৭৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বাংলানিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments