বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত ১৩তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচন ও রেফারেন্ডামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা ব্যাটালিয়ন (৫ নম্বর ব্যাটালিয়ন) এর অধীনে মোট ৩৮টি প্লাটুন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। এই পদক্ষেপ ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নির্বাচনের সময়কালীন কোনো অশান্তি বা হিংসা রোধে নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।
বক্তব্যটি বুধবার মিডিয়া সম্মেলনে করা হয়, যেখানে ঢাকা ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কলোনেল তায়মুর হাসান খান পরিকল্পনার বিশদ বিবরণ উপস্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা বজায় রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দেশের সীমান্ত রক্ষার মূল দায়িত্বের পাশাপাশি পুরো দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে তারা নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ভোটদান প্রক্রিয়াকে সহায়তা করবে।
গৃহ বিষয়ক উপদেষ্টা ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ডিরেক্টর জেনারেলের নির্দেশে ৫ নম্বর ব্যাটালিয়ন নিম্নলিখিত এলাকায় প্লাটুন মোতায়েন করবে: ঢাকা নর্থ সিটি কর্পোরেশনের অধীনে পাঁচটি নির্বাচনী এলাকায় মোট এগারোটি প্লাটুন।
সাভার ও ধামরাই উপজেলা সমন্বিত দুইটি এলাকায় ছয়টি প্লাটুন এবং ফরিদপুর জেলার চারটি নির্বাচনী এলাকায় তেরোটি প্লাটুন স্থাপন করা হবে। এই মোতায়েনগুলো নির্বাচনের পূর্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণে সহায়তা করবে।
মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি নির্বাচনী এলাকায় আটটি প্লাটুন মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা মোট ৩৮টি প্লাটুনের সংখ্যা পূর্ণ করে। এই বণ্টন নির্বাচনের বিভিন্ন পর্যায়ে দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত।
তায়মুর খান উল্লেখ করেন, বিশেষায়িত কুকুর দল (K‑9) অনুসন্ধান কাজের জন্যও ব্যাটালিয়ন থেকে পাঠানো হবে, এবং মোট বারোটি ভিত্তিক ক্যাম্প থেকে অপারেশন চালানো হবে। কুকুর দলটি সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি সনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ব্যবহার করা হবে, একা অথবা অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ভোটদান ও নির্বাচনের পরবর্তী কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা হবে। এ ধরনের সমন্বিত পদ্ধতি অপ্রত্যাশিত ঘটনার ঝুঁকি কমাতে লক্ষ্য রাখে।
ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত পেট্রোল চালাবে। পেট্রোল রুটগুলো নির্বাচনী কেন্দ্রের আশেপাশে বিশেষভাবে পরিকল্পিত হবে।
জরুরি প্রতিক্রিয়া ইউনিট, যার মধ্যে রয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন টিম, কুইক রেসপন্স ফোর্স এবং হেলিকপ্টার সাপোর্ট, দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত থাকবে। এই ইউনিটগুলো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
তায়মুর খান জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বডি-ওয়র্ন ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, মেটাল ডিটেক্টর, আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার (APC) সহ



