23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থাকুরগাঁও-১-এ শান্তি আহ্বান ও শি. হাসিনার সমালোচনা

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থাকুরগাঁও-১-এ শান্তি আহ্বান ও শি. হাসিনার সমালোচনা

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, থাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকার রায়পুর ইউনিয়নের মোলানী বাজারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী রেলিতে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং শি. হাসিনার সমর্থকদের নিরাপত্তা অবহেলার অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি উপস্থিত ভক্তদের সামনে দেশের বর্তমান অবস্থা ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা স্পষ্ট করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করা এখনো সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, এবং এ লক্ষ্যে সকল রাজনৈতিক শক্তির সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, “শান্তি না থাকলে কোনো উন্নয়ন কাজের বাস্তবায়ন সম্ভব নয়”।

এদিকে তিনি শি. হাসিনার শাসনামলে সমর্থকদের অবহেলার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, পূর্বে সমর্থকরা নৌকা ও ধানের শীষ চিহ্ন ব্যবহার করে প্রচার চালাতেন, কিন্তু এখন “নৌকা নেই, পালিয়ে গেছে”। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি সরকারের সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করার অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি তার সমর্থন স্পষ্ট করে, মির্জা ফখরুল হিন্দু ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা আপনার পাশে আছি, আপনার নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় আমরা সর্বদা প্রস্তুত”। তিনি যোগ করেন, যারা অন্যায় করেছে তাদের শাস্তি হবে, আর যারা নির্দোষ তাদের কোনো শাস্তি হবে না।

ভোটারদের সরাসরি আবেদন করে তিনি বলেন, “যদি আপনি আমাদের সমর্থন করেন, আমরা আপনার এলাকায় অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করব”। এই প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের আগে ভোটারদের আস্থা অর্জনের প্রচেষ্টা হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়।

জোটের রাজনীতি ও দুর্নীতির প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, ২০০১ সালে বিএনপি যখন জামায়াতের সঙ্গে জোটে ছিল, তখনও বিএনপির ওপর দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়। তিনি ইঙ্গিত করেন, “সেই সময়ের মতোই জোটের অংশীদারদেরও দায়িত্ব ভাগ করতে হবে”। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বর্তমান সরকারী জোটের দুর্নীতির অভিযোগ পুনরায় উত্থাপন করেন।

রেলির সময় তিনি ধানের শীষ চিহ্নযুক্ত লিফলেট বিতরণ করেন, যা পার্টির ঐতিহ্যবাহী প্রচার উপকরণ। লিফলেটে দেশের সার্বিক উন্নয়ন, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে পরিকল্পিত কাজের তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়ে দেন, এই সপ্তাহে আরও কয়েকটি গণসংযোগে অংশ নেবেন এবং সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি মিথস্ক্রিয়া বাড়াবেন।

এই রেলির মাধ্যমে বিএনপি উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে থাকুরগাঁও অঞ্চলে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও সাধারণ ভোটারদের সমর্থন জোরদার করার লক্ষ্য রাখছে। মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের ভিত্তিতে পার্টি ভবিষ্যৎ নির্বাচনে কৌশলগতভাবে এই গোষ্ঠীর ভোটের ওপর নির্ভর করতে চায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, মির্জা ফখরুলের এই ধরনের রেলি ও ভাষণ নির্বাচনী সময়ে পার্টির ভিত্তি শক্তিশালী করার একটি প্রচেষ্টা, তবে ভোটারদের আচরণে কী প্রভাব ফেলবে তা সময়ই নির্ধারণ করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments