রিজওয়ানা হাসান, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন যে আসন্ন নির্বাচনের চারপাশে ভয়ের পরিবেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চলছে এবং আওয়ামী লীগ যদি ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করে তবে বাংলাদেশ সরকার কঠোরভাবে দমন করবে।
উক্ত বক্তব্যের সময় তিনি জানান, বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে জনমতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি এ ধরনের কার্যকলাপকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারকে ক্ষুণ্ন করার রূপে দেখেন।
“নির্বাচন নিয়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে কঠোরভাবে দমন করবে সরকার।” রিজওয়ানা হাসান এভাবে স্পষ্ট করে বলেন।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসলে কী হবে তা নিয়ে মন্তব্যের সুযোগ নেই। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অনুমানমূলক আলোচনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
“নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কোন দল ক্ষমতায় আসলে কি হবে, সেটা নিয়ে মন্তব্য করার সুযোগ নেই।” তিনি এভাবে পুনরায় জোর দেন।
নির্বাচনী প্রচারে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় রিজওয়ানা হাসান জানান, কিছু কিছু জায়গায় রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা সীমালঙ্ঘন করছে এবং দলগুলোকে দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা নেবে।
“কিছু কিছু জায়গায় রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা সীমালঙ্ঘন করছে। দলগুলোকে দায়িত্বশীল হতে হবে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে ব্যবস্থা নেবে সরকার।” এই মন্তব্যে তিনি আইনগত কাঠামোর প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান প্রকাশ করেন।
উল্লেখযোগ্য যে, রিজওয়ানা হাসানের এই সতর্কতা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আসে। দেশের বিভিন্ন অংশে দলীয় কর্মসূচি ও সমাবেশ বাড়ছে, ফলে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার অতিরিক্ত নজরদারি বাড়াতে পারে।
বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত দেন, রিজওয়ানা হাসানের মন্তব্যের ফলে রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের প্রচার কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে হতে পারে, বিশেষ করে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ব্যবহার সীমিত করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। সরকার যদি সত্যিই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে তা নির্বাচনী পরিবেশকে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সহায়তা করতে পারে।
অবশেষে রিজওয়ানা হাসান পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, ভোটের পরিবেশ রক্ষা করা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল আচরণ এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।



