ঢাকার একটি সেমিনারে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদুদ্দিন মাহমুদ আজ বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার একটি অনন্য চরিত্রের অধিকারী, যা কোনো এনজিও সরকার নয়, না পুরোপুরি রাজনৈতিক, এবং সংবিধানিক নীতিমালা রক্ষায় সচেষ্ট।
১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে তার পূর্ব অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি জানান, সেই সময়ের দায়িত্বগুলো তুলনামূলকভাবে সহজ ছিল। “এই সময়, আমি নিজে ভূমিকা নিতে চাইনি, তবে আমাকে নিতে হয়েছিল,” তিনি ঢাকার অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন।
“The character of this government is truly exceptional. It is neither an NGO government nor a fully political one. On the one hand, it is an interim government, and on the other, it is striving to uphold constitutionalism,” তিনি বলেন, যা তিনি দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেখেছেন।
এধরনের সরকার বাংলাদেশে আগে কখনও দেখা যায়নি বলে তিনি যোগ করেন, এবং বর্তমান প্রশাসনের বৈশিষ্ট্যগুলো এখনও পুরোপুরি বুঝতে পারছেন না।
অর্থনৈতিক দিক থেকে তিনি উল্লেখ করেন, সামগ্রিক ম macroeconomic স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে, তবে অনিশ্চয়তা এখনও বিদ্যমান।
“In the fiscal year 2024-25, GDP growth was around 4 percent and is expected to move closer to 5 percent this year. But I do not consider GDP growth alone a strong indicator. Other economic markers are more telling,” তিনি জিডিপি বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য সূচকগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
শিল্প কাঁচামালের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা উৎপাদন কার্যকলাপের পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত দেয়; একই সঙ্গে মূলধন যন্ত্রপাতির আমদানি সামান্য বাড়েছে।
রপ্তানি পারফরম্যান্স স্থিতিশীল, বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে সামান্য উন্নতি এবং টাকার বিনিময় হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।
মুদ্রাস্ফীতি এখনও উদ্বেগের বিষয়। তিনি জানান, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মুদ্রাস্ফীতি ১১ শতাংশ থেকে প্রায় ৮ শতাংশে নেমে এসেছে, তবে হ্রাসের গতি ধীর।
“Point-to-point inflation has declined from 11 percent to about 8 percent, but it is not falling fast. Due to persistent price expectations, it will take more time to ease,” তিনি মুদ্রাস্ফীতির অবনতি সম্পর্কে সতর্ক করেন।
অর্থনৈতিক নীতি সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা জোর দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান উচ্চ সুদের হার আর প্রয়োজন নাও হতে পারে, কারণ ক্রেডিট বৃদ্ধি কম এবং বিনিয়োগের গতি ধীর।
এই আলোচনাটি “Economic Stability and the Challenge” শীর্ষক সেমিনারের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক স্বাতন্ত্র্য এবং অর্থনৈতিক নীতি দুটোই বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
মাহমুদের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশ সরকারকে সংবিধানিক নীতি বজায় রেখে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে; এ ধাপটি দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও আর্থিক দিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হবে।



