28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনস্যান্ড্যান্সে কোর্টনি লাভের ‘অ্যান্টিহিরোইন’ ডকুমেন্টারি ও লন্ডনে লাইভ পারফরম্যান্সের প্রধান মুহূর্ত

স্যান্ড্যান্সে কোর্টনি লাভের ‘অ্যান্টিহিরোইন’ ডকুমেন্টারি ও লন্ডনে লাইভ পারফরম্যান্সের প্রধান মুহূর্ত

স্যান্ড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে এডওয়ার্ড লভলেস ও জেমস হলের যৌথ পরিচালনায় নির্মিত ‘অ্যান্টিহিরোইন’ ডকুমেন্টারির বিশ্বপ্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ৯৮ মিনিটের চলচ্চিত্রে রক আইকন কোর্টনি লাভের বর্তমান জীবন, নতুন সঙ্গীত প্রকল্প এবং অতীতের সঙ্গে পুনর্মিলনের কারণগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রের সমাপ্তি দৃশ্যে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ লন্ডনের গ্যারেজ ভেন্যুতে কোর্টনি লাভ প্রথমবারের মতো মঞ্চে ফিরে এসে লাইভ পারফরম্যান্স করেন। তিনি তার ব্যান্ডের সঙ্গে না গিয়ে, গ্রাঙ্ক রক গায়ক বিলি জো আর্মস্ট্রং ও তার সাইড প্রজেক্ট দ্য কভারআপসের সমর্থনে গান গেয়েছেন।

মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, “আমি কোর্টনি লাভ, হয়তো আপনাদের মনে নেই।” পারফরম্যান্সের শেষে আর্মস্ট্রং তার প্রতি আন্তরিক প্রশংসা জানিয়ে বলেন, তিনি আরও বেশি গাইতে দেখতে চান এবং তার উপস্থিতি শিল্প জগতে প্রয়োজনীয়। কোর্টনি তৎক্ষণাৎ মন্তব্য করেন, হয়তো এখনই বিশ্ব তার জন্য প্রস্তুত।

ডকুমেন্টারিটি কোর্টনি লাভের সাম্প্রতিক সঙ্গীত কাজ, রেকর্ডিং সেশন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়। পাশাপাশি, তিনি কেন অতীতের উঁচু-নিচু, হলিউডের ঝলক এবং ব্যক্তিগত সংগ্রামগুলোকে আবার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন, তা ব্যাখ্যা করেন।

২০১৯ সালে কোর্টনি যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করে ইংল্যান্ডে বসতি স্থাপন করেন। তিনি দুই বছর অর্ধেকের বেশি সময় সোবের ছিলেন এবং শীতের পোশাক ও একটি কুকুর নিয়ে লন্ডনে পৌঁছেছিলেন। নতুন পরিবেশে তিনি নিজেকে সমাজ থেকে আলাদা করে রাখেন, যদিও তার জীবনে যুক্তি বা স্থিতিশীলতা কমে গিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিনের গসিপ, মিডিয়া কভারেজ এবং ব্যক্তিগত সমস্যার পর কোর্টনি বলেছিলেন, তিনি শান্তি ও স্বস্তি খুঁজতে ইউরোপে গেছেন। তার মতে, তার চারপাশের মানুষদের প্রত্যেকেরই কোর্টনি সম্পর্কিত কোনো না কোনো গল্প আছে, যা তাকে অতীতের ছায়া থেকে মুক্তি পেতে বাধ্য করেছে।

‘অ্যান্টিহিরোইন’ ডকুমেন্টারির মূল লক্ষ্য হল কোর্টনি লাভের নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে তার জীবনকে সরাসরি ও নির্ভীকভাবে উপস্থাপন করা। চলচ্চিত্রে কোনো ফিল্টার বা মিথ্যা রূপান্তর না রেখে, তার সৎ স্বরকে সামনে আনা হয়েছে।

স্যান্ড্যান্সে চলচ্চিত্রটি দেখার পর দর্শকদের মধ্যে কোর্টনি লাভের নতুন সঙ্গীত ও পারফরম্যান্সের জন্য উচ্ছ্বাস দেখা যায়। অনেক ভক্ত আশা করছেন, তিনি শীঘ্রই আরও কনসার্ট ও অ্যালবাম প্রকাশ করবেন।

ডকুমেন্টারির মাধ্যমে কোর্টনি লাভের বর্তমান সৃজনশীল শক্তি ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়েছে। তার ভক্তরা এখন তার নতুন কাজের অপেক্ষায়, এবং শিল্প জগতে তার পুনরায় উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছে।

সারসংক্ষেপে, ‘অ্যান্টিহিরোইন’ কোর্টনি লাভের জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের দরজা খুলে দিয়েছে, যেখানে তিনি নিজের গল্পকে স্বচ্ছভাবে শেয়ার করছেন এবং বিশ্বকে আবার তার সুরে মুগ্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments