28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিগোপালগঞ্জসহ চার জেলায় নির্বাচনী নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও বিশেষ নজরদারি

গোপালগঞ্জসহ চার জেলায় নির্বাচনী নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও বিশেষ নজরদারি

নির্বাচনের পূর্বে গোপালগঞ্জ, গাজীপুর, নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলায় ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভোটারদের কেন্দ্রে আসা বাধা দিতে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলায় তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই চার জেলায় ভোটারদের ভয় দেখিয়ে কেন্দ্রে আসা থামাতে বিভিন্ন রকমের হুমকি তৈরি হতে পারে। ফলে, বহিরাগত ব্যক্তির চলাচল, রাজনৈতিক কর্মীর সক্রিয়তা এবং সন্দেহজনক গতিবিধির ওপর তীব্র নজরদারি চালু করা হয়েছে।

প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপারintendেন্ট (এসপি) স্থানীয় ঝুঁকি মূল্যায়ন করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করছেন। প্রস্তুতকৃত পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট জেলা সদর দপ্তরে পাঠিয়ে পর্যালোচনা ও অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, আনসার, গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি), গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সমন্বয় বৈঠকগুলোতে নিরাপত্তা কৌশল, তদারকি পদ্ধতি এবং জরুরি প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা আলোচনা করা হয়।

গোপালগঞ্জের সীমানা সংলগ্ন হওয়ায়, খুলনা ও বাগেরহাট জেলাতেও অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। এই দুই জেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গোপালগঞ্জের পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর করা হবে।

ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির বা ভোট কেন্দ্র দখলের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তাই, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো দেশব্যাপী ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোকেও নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।

নির্বাচনের আগে ও পরে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থা নিরাপদ রাখতে টহল জোরদার করা হয়েছে। টহল দলগুলো বিশেষ করে ভোটার চলাচল ও গণপরিবহন রুটে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

বাংলাদেশ পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে যে, এই নির্বাচনে এখন পর্যন্ত দুটি প্রধান ঝুঁকি চিহ্নিত হয়েছে। প্রথমটি হল ভোটের আগে বা ভোটের দিন হঠাৎ নাশকতামূলক ঘটনা ঘটিয়ে ভোটারদের ভয় দেখানো।

এই ধরনের ঘটনার মধ্যে বিস্ফোরণ, আগুন, ককটেল বা সহিংস হামলা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যার লক্ষ্য ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়া বাধাগ্রস্ত করা। দ্বিতীয় ঝুঁকি হল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাঁদের সমর্থকদের ভোট প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা।

এতে কেন্দ্র দখল, জাল ভোট, ভোটারদের ভয় দেখানো বা সংঘর্ষ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের আগে গুপ্ত হামলা ও টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও রয়েছে।

এইসব ঝুঁকি মোকাবেলায় ভোটের আগের দিনগুলোতে টহল, তল্লাশি, মোবাইল প্যাট্রল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। পেশাদার সন্ত্রাসী ও ভাড়াটে কিলারদের গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) বিভিন্ন সময়ে শুটার ও ভাড়াটে খুনিদের তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে পাঠিয়েছে। তালিকায় রাজধানীর ১০৩ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত।

এই তালিকায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের ওপর ত্বরিত অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীগুলো নির্বাচনের সুষ্ঠু ও নির্ভয় পরিচালনা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখবে।

নির্বাচনের দিন পর্যন্ত নিরাপত্তা তদারকি অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ভোটারদের নিরাপদে ভোটদান নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা রক্ষাই মূল লক্ষ্য।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments