23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমিনেসোটা প্রতিনিধি ইলহান ওমারকে টাউন হলের সময় অজানা তরলে আক্রমণ

মিনেসোটা প্রতিনিধি ইলহান ওমারকে টাউন হলের সময় অজানা তরলে আক্রমণ

মিনেসোটা রাজ্যের প্রতিনিধি ইলহান ওমারকে মঙ্গলবার নর্থ মিনিয়াপোলিসের একটি টাউন হলের সময় অজানা তরল স্প্রে করে আক্রমণ করা হয়। স্থানীয় পুলিশ জানায়, একটি দর্শক সাইরিন ব্যবহার করে তরল ছিটিয়ে ওমারের দিকে লক্ষ্য করে। ঘটনাটি ঘটার মুহূর্তে কক্ষের সামনে অংশে তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের মতে, আক্রমণকারীকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় এবং ঘটনাস্থলে ফরেনসিক পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। ওমার কোনো শারীরিক ক্ষতি না পেয়ে তৎক্ষণাৎ তার বক্তব্য চালিয়ে যান। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিচয় ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

একজন উপস্থিতি, জ্যাকেলিন গোসলিং, ঘটনাস্থলে গন্ধের তীব্রতা নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, “আমি ভেবেছিলাম এটা তার সহকারী কিছু দিচ্ছেন”। তিনি উল্লেখ করেন, গন্ধটি কক্ষের সামনের অংশকে পুরোপুরি আচ্ছন্ন করে দিয়েছিল।

ইলহান ওমার টুইটার (X) প্ল্যাটফর্মে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা দিয়ে জানান, “I’m ok. I’m a survivor so this small agitator isn’t going to intimidate me from doing my work. I don’t let bullies win.” তিনি বলেন, আক্রমণ তাকে তার কাজ থেকে বিরত রাখবে না এবং তিনি হুমকিকে অগ্রাহ্য করবেন না।

আক্রমণের পর ওমার উপস্থিত দর্শকদের কাছে বলেন, “আমরা চালিয়ে যাব… আমরা মিনেসোটা শক্তিশালী” এবং টাউন হলের পরিবেশ পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করেন। কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় একজন ব্যক্তি বলেছিলেন যে ওমার “আমাদের একে অপরের বিরুদ্ধে তুলছে”; তবে তিনি কাকে নির্দেশ করছেন তা স্পষ্ট নয়।

মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রেই সামাজিক মাধ্যমে জানান, “Violence and intimidation have no place in Minneapolis. We can disagree without putting people at risk… This kind of behavior will not be tolerated in our city.” তিনি জোর দিয়ে বলেন, শহরে এমন কোনো সহিংসতা সহ্য করা হবে না।

ইলহান ওমার ২০১৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে প্রবেশ করে প্রথম সোমালি-আমেরিকান, প্রথম আফ্রিকান-জাতীয় এবং দুইজন মুসলিম আমেরিকান নারীর মধ্যে একজন হিসেবে ইতিহাস রচনা করেন। তিনি কংগ্রেসে আফ্রিকান-আমেরিকান ও মুসলিম সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

এই টাউন হলটি ওমারের নিয়মিত আয়োজিত সভাগুলোর একটি, যেখানে প্রায় একশো জন উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ও সম্প্রদায়ের ওপর প্রভাব সম্পর্কে জানার এবং প্রশ্ন করার জন্য একত্রিত হয়েছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে দুইটি মারাত্মক শুটিং ঘটেছে, যেখানে ইমিগ্রেশন অফিসাররা মার্কিন নাগরিককে গুলি করে হত্যা করেছে।

ওমার টাউন হলের সময় আইসিই (ICE) বিলুপ্ত করার দাবি তীব্রভাবে তুলে ধরেন এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমকে “resign or face impeachment” করার আহ্বান জানান। তিনি ইমিগ্রেশন নীতি ও মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে কঠোর অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দেন।

এই ঘটনার পর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, ওমারের নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগ বাড়বে এবং কংগ্রেসে ইমিগ্রেশন নীতি নিয়ে বিতর্ক তীব্র হবে। স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ঘটনাটির পূর্ণ তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া চলবে। ভবিষ্যতে ওমার ও তার সমর্থকরা টাউন হলের মতো জনসাধারণের সভা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, যাতে সম্প্রদায়ের উদ্বেগ সরাসরি শোনানো যায়।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments