বরিশাল শহরের এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হওয়ার পর, আদালত সংশ্লিষ্ট পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেছে। মামলাটির মূল অভিযোগকারী সেকেন্দার আলী এবং শিক্ষকদের দলকে ‘সাজানো’ অভিযোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিচারক মুহা রকিবুল ইসলাম এই আদেশটি মঙ্গলবারের অধিবেশনে প্রদান করেন।
মামলাটি ২০২৪ সালের ৬ মে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সামনে উপস্থাপিত হয়। অভিযোগকারী সেকেন্দার আলী, যিনি ওই বিদ্যালয়ের একজন অভিভাবক, দাবি করেন যে তার কন্যা একটি ক্লাসরুমে শিক্ষক দ্বারা ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে এক শিক্ষককে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তের দায়িত্ব পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) এর এসআই মাহমুদের হাতে পড়ে। তিনি ও তার দল ব্যাপকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ, ভিডিও রেকর্ডিং এবং স্থানীয় নিরাপত্তা ক্যামেরা পরীক্ষা করে দেখেন যে অভিযোগিত ঘটনার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলস্বরূপ, পিবিআই চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই এবং মামলাটি ভিত্তিহীন বলে রায় দেন।
পিবিআইয়ের এই সিদ্ধান্তের পর, অভিযুক্ত শিক্ষক নিজে মামলাটি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া বলে দাবি করে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি আদালতে বাদী সেকেন্দার আলীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করেন,



