28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচন দিবসে ট্যাক্সিক্যাব‑পিক‑মাইক্রোবাস‑ট্রাক ও মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের নির্দেশ

নির্বাচন দিবসে ট্যাক্সিক্যাব‑পিক‑মাইক্রোবাস‑ট্রাক ও মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের নির্দেশ

ইলেকশন কমিশন (ইসি) ২৭ জুন তারিখে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে চিঠি প্রেরণ করে জানায়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের দিন ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস এবং ট্রাকের চলাচল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। চিঠিটি ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্বাচনের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

একই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত, মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন, সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। এই সময়কালে কোনো ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক সাইকেল চালানো যাবে না, তবে জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে ব্যবহৃত যানবাহনকে এই বিধান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় না থাকা গোষ্ঠী হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনিক কর্মী, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক এবং সংবাদপত্রের গাড়ি উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা, বিমানবন্দরের যাত্রী বহনকারী গাড়ি, দূরপাল্লার বাস এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক অনুমোদিত একক গাড়ি চলাচলের অনুমতি পাবে। বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিকম প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।

বিশেষ ও জরুরি সেবার ক্ষেত্রে, রোগী পরিবহন, জরুরি চিকিৎসা, দুঃসাহসিক উদ্ধার কাজ এবং অন্যান্য অপরিহার্য সেবা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে স্বতন্ত্র অনুমোদন প্রদান করা হবে। এ ধরনের গাড়ি চালকেরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পারমিট প্রদর্শন করতে হবে।

ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোটারদের চলাচল সহজতর করতে এবং ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে অপ্রয়োজনীয় যানবাহনের ভিড় কমাতে লক্ষ্যভেদ করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন ও তার আগে-পরের সময়ে ট্রাফিক জ্যাম ও নিরাপত্তা হুমকি কমিয়ে, ভোটারদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা হবে।

প্রতিপক্ষের দলগুলোও এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, ভোটারদের নিরাপদে ভোটদান নিশ্চিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা প্রয়োজন। তবে কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইঙ্গিত করেছেন, দীর্ঘ সময়ের জন্য মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকলে গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় ভোটারদের গন্তব্যে পৌঁছাতে অসুবিধা হতে পারে, যা নির্বাচনের অংশগ্রহণের হারকে প্রভাবিত করতে পারে।

ইসির উল্লেখ অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার সময়কালে কোনো অপ্রয়োজনীয় গাড়ি চলাচল করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে কোনো লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে আইন প্রয়োগ করতে।

এই নির্দেশনা অনুসরণে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা ও থানা অফিসে নোটিশ জারি করেছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। নির্বাচনের দিন নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে, সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষকে এই নির্দেশনা মেনে চলতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভবিষ্যতে, ইসি এই ধরনের ট্রাফিক সীমাবদ্ধতা বজায় রাখার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বাড়াতে পারে, যা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করবে। একই সঙ্গে, নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায়ে এই ধরনের নীতি কীভাবে কার্যকর হবে এবং ভোটারদের দৈনন্দিন চলাচলে কী প্রভাব ফেলবে, তা পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments