28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশফিকুর রহমানের স্যাটখিরা জনসভা: ন্যায় ও পরিবর্তনের আহ্বান

শফিকুর রহমানের স্যাটখিরা জনসভা: ন্যায় ও পরিবর্তনের আহ্বান

শফিকুর রহমান, জামায়াত-এ-ইসলামির আমির, মঙ্গলবার দুপুরে সাটখিরা সরকারি বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে দেশের ন্যায়, সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে তার মতামত প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ন্যায় ও সমতার পক্ষে একটি শক্তিশালী স্রোত গড়ে উঠেছে, যা পুরনো ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতির বিরোধিতা করে।

সামনের চারটি আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থীদের কাছে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দিয়ে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেন। এই প্রতীকটি, তিনি ব্যাখ্যা করেন, ন্যায়বিচার ও সমতার জন্য সংগ্রামরত সকলের সংহতি নির্দেশ করে।

শফিকুর রহমানের মতে, দেশের যুবক-যুবতীরা ইতিমধ্যে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে; তারা ন্যায়ের পাশে দাঁড়াতে এবং সংস্কারকে সমর্থন করতে প্রস্তুত। তিনি যোগ করেন, যুবসমাজের ঐক্যবদ্ধতা ফ্যাসিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ হিসেবে কাজ করবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ছাত্র-ছাত্রীদের সমর্থনকে উল্লেখ করেন, যাঁরা ইতিমধ্যে ন্যায়ের পক্ষে তাদের মতামত প্রকাশ করেছে।

মাতৃস্নেহের প্রতি সম্মানের বিষয়েও শফিকুর রহমান জোর দেন। তিনি বলেন, মাতৃসন্মানকে ক্ষুন্ন করা কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং যারা নিজের মায়ের মর্যাদা রক্ষা করতে পারে না, তারা অন্যের মায়ের সন্মানও দিতে পারবে না। তিনি এই নীতি অনুসরণ না করলে সমাজে অশালীন আচরণকে সহ্য করা যাবে না, তা স্পষ্ট করেন।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দুইটি ভোটের ব্যাপারে তিনি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন। প্রথম ভোটটি সংস্কারের পক্ষে “হ্যাঁ” ভোট, যেখানে “হ্যাঁ” মানে স্বাধীনতা এবং “না” মানে দাসত্ব। তিনি ভোটারদের আহ্বান করেন, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দৃঢ়ভাবে “হ্যাঁ” ভোট দিতে, যাতে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি শেষ হয়। দ্বিতীয় ভোটটি, তিনি উল্লেখ করেন, দাঁড়িপাল্লা ভোট, যা ন্যায়বিচারকে সমর্থন করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

শফিকুর রহমানের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান যুবসমাজ বস্তাপচা রাজনীতি ও দুর্নীতিগ্রস্ত প্রথা থেকে দূরে থাকতে চায়। তিনি আশ্বাস দেন, বাংলাদেশ তার পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে এবং তাদের কাছ থেকে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করবে। কোনো বিদেশি রাষ্ট্রকে প্রভু হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না, এ কথাটিও তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।

এই জনসভা, যা সাটখিরা জেলার রাজনৈতিক পরিবেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত, শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জামায়াত-এ-ইসলামির নীতি ও লক্ষ্যকে পুনরায় জোরদার করেছে। তিনি শেষ পর্যন্ত উল্লেখ করেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে নাগরিকদের সচেতন ভোটের ওপর এবং ন্যায়, সংস্কার ও পরিবর্তনের পথে অটল থাকা দরকার।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments