কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের প্রাক্তন সহকারী কমিশনার ভূইয়া মফিজুর রহমান এবং তার স্ত্রী দিলশাদ জাহান লুসির নামের দুইটি ফ্ল্যাটের জব্দের আদেশ ঢাকা দক্ষিণখানের আদালত থেকে পাওয়া গেছে। আদালত মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। জব্দের কারণ হল ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখল’ সংক্রান্ত অভিযোগ, যা দুদকের (ড্রাগ অ্যান্ড অ্যান্টি‑মনি ডিভিশন) তদন্তে উদ্ভূত হয়েছে।
দুদক কর্তৃক দাখিল করা মামলার ভিত্তিতে আদালত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার অনুমোদন দেয়। মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজের বেঞ্চে সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি জবাবদিহি প্রক্রিয়া তদারকি করবেন। আদালত এই আদেশে উল্লেখ করেছে যে, সম্পত্তি হস্তান্তর বা বিক্রির কোনো প্রচেষ্টা চললে তা অবিলম্বে রোধ করা হবে।
দুদক ১৪ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘৯২ লাখ ১০ হাজার ২৩৯ টাকা’ পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নিজের স্বার্থে সম্পদ সঞ্চয় করেছেন এবং তা গোপন করার চেষ্টা করেছেন। এই মামলাটি মানি লন্ডারিং বিরোধী আইনের অধীনে দায়ের করা হয়েছে, যা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করে।
অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মফিজুরের সম্পদ গোপন করার প্রচেষ্টা চলমান। দুদক জানায়, তদন্তে দেখা গেছে তিনি সম্পদ ও সম্পত্তি অন্য



