22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি নেতার অভিযোগ, দল বিকাশ নম্বর সংগ্রহে ভোট কেনার চেষ্টা করছে

বিএনপি নেতার অভিযোগ, দল বিকাশ নম্বর সংগ্রহে ভোট কেনার চেষ্টা করছে

ঢাকা-১৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মিরপুর-১১ নম্বরের শহীদ আবুতালেব উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে নির্বাচনী প্রচারণার সময় একটি দলকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহের মাধ্যমে ভোট কেনার চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, তার নির্বাচনী এলাকায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের উপস্থিতি সত্ত্বেও, কিছু দল গৃহে গিয়ে নিম্ন আয়ের ভোটারদের প্রলোভন দিয়ে বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে এবং এভাবে ভোটের দায়িত্ব বিক্রি করার চেষ্টা করছে।

হক জানান, এই অনিয়ম সম্পর্কে তিনি সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের অবহিত করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে ভোটাররা ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া ব্যালটে এই ধরনের কৌশলের মুখোমুখি হয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তফসিল অনুযায়ী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন, তাই এখনই এই ধরনের কার্যকলাপের বিরোধিতা করা জরুরি।

বিকাশ নম্বর সংগ্রহের মাধ্যমে ভোট কেনার অভিযোগের পটভূমি হল, বাণিজ্যিক মোবাইল আর্থিক সেবা বিকাশের জনপ্রিয়তা এবং নগদহীন লেনদেনের বিস্তার। রাজনৈতিক দলগুলো যদি এই প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে ভোটারদের কাছ থেকে আর্থিক বা অন্যান্য সুবিধা চায়, তা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতাকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে। হকের মতে, এমন কৌশল বিশেষ করে নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর মধ্যে প্রভাবশালী, কারণ তারা আর্থিক সহায়তার জন্য প্রলোভনসাপেক্ষ হতে পারে।

অভিযোগের পর, হক কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে কেবলমাত্র ‘একটি দল’ শব্দটি ব্যবহার করে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া না হলে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রশ্নের মুখে ফেলা সম্ভব। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কাছ থেকে এই অভিযোগের প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি, তবে নির্বাচনী পর্যায়ে সকল দলকে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে বলে তিনি জোর দেন।

নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হল, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। হক উল্লেখ করেন, তিনি ইতিমধ্যে কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানিয়ে দিয়েছেন এবং আশা করেন, তারা যথাযথ সময়ে তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করবে। যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো দল ভোট কেনার জন্য বিকাশ নম্বর সংগ্রহে লিপ্ত, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই অভিযোগের ফলে নির্বাচনী পরিবেশে নতুন আলোচনার সূচনা হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে কি না, তা নির্ভর করবে মিডিয়া ও সিভিল সোসাইটি সংগঠনগুলোর তৎপরতার উপর। এছাড়া, ভোটারদের কাছে সরাসরি তথ্য পৌঁছানোর জন্য সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহার বাড়বে বলে আশা করা যায়। হকের এই বক্তব্যের পর, নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালীন অন্যান্য প্রার্থীরাও তাদের নিজস্ব এলাকার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন।

ভবিষ্যতে, যদি নির্বাচন কমিশন দ্রুত এবং কঠোরভাবে এই অভিযোগের তদন্ত করে, তবে ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধার হতে পারে এবং নির্বাচনের ফলাফলকে বৈধতা প্রদান করবে। অন্যদিকে, যদি কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে ভোটারদের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়তে পারে এবং নির্বাচনের ফলাফলকে প্রশ্নের মুখে ফেলা সম্ভব। হকের মন্তব্য অনুসারে, ভোটারদের শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে ব্যালটে, যেখানে তারা তাদের স্বচ্ছন্দে ভোট দিতে পারবে।

সারসংক্ষেপে, ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক বিকাশ নম্বর সংগ্রহের মাধ্যমে ভোট কেনার প্রচেষ্টা সম্পর্কে সতর্কতা জানিয়ে নির্বাচনী কমিশনের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভোটারদের আহ্বান করেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ব্যালটে এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে সঠিক পদক্ষেপ নিতে। নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে এই ধরনের অভিযোগের সমাধান কীভাবে হবে, তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments