23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিঢাকা-১৩ নির্বাচনী রেলি, ভোটার উদ্বেগ ও পুনর্নির্মাণের দাবি

ঢাকা-১৩ নির্বাচনী রেলি, ভোটার উদ্বেগ ও পুনর্নির্মাণের দাবি

ঢাকা-১৩ নির্বাচনী রেলি গতকাল মোহাম্মদপুরের বেরিবাদ থেকে শুরু হয়ে মকবুল হোসেন কলেজ, কাটাসুর পার হয়ে মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ডে শেষ হয়েছে। রেলির পথে লালমাটিয়া মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা আসন্ন ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করছিল। প্রথমবারের ভোটারদের মধ্যে বেশিরভাগই এখনও ধারা-১৩-এ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য জানেন না। তারা পরিবর্তন আনতে সক্ষম প্রার্থীর সন্ধানে রয়েছেন, এটাই তাদের মূল প্রত্যাশা।

ধারা‑১৩-এ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৮ থেকে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শের‑এ‑বাংলা নগর থানা রয়েছে। এই এলাকায় লালমাটিয়া, আসাদ গেট, শ্যামলী, বেরিবাদ, ঢাকা উদ্যান, বসিলা, রায়েরবাজার এবং বাংলাদেশ বেতার, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেস, লিবারেশন ওয়ার মিউজিয়াম, পাসপোর্ট অফিসের আশেপাশের পাড়া-প্রতিবেশী অন্তর্ভুক্ত।

বসবাসকারী নাগরিকদের মতে, মুগিং, কিশোর গ্যাং হিংসা এবং মাদকদ্রব্যের ব্যবহার প্রধান নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়। এছাড়া বেআইনি জমি দখল এবং ফুটপাথ দখলকেও প্রায়শই উল্লেখ করা হয়েছে। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

কৃষি মার্কেটের ব্যবসায়ী এবং টিক্কাপাড়া বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী মোঃ ইব্রাহিম ২০২৩ সালে আগুনে ধ্বংসপ্রাপ্ত বাজারের পুনর্নির্মাণের আশায় রয়েছেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এখনো কোনো সহায়তা পাননি এবং নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কাছ থেকে দ্রুত পদক্ষেপের প্রত্যাশা করছেন।

মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা নাসির হাজরি যুব নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, ছাত্র পার্টির প্রতি তাদের সমর্থন রয়েছে, তবে দলকে দুর্নীতি থেকে দূরে রাখতে হবে এবং স্থিতিশীল সরকার গঠনই শান্তির মূল চাবিকাঠি।

ধারা‑১৩-এ জেনেভা ক্যাম্পের প্রায় ৩০,০০০ ভোটার বসবাস করেন, যেখানে স্থায়ী পুনর্বাসন এখনো মূল দাবি হিসেবে রয়ে গেছে। স্ট্র্যান্ডেড পিপলস জেনারেল রিহ্যাবিলিটেশন কমিটির একজন সদস্য, যিনি নাম প্রকাশ না করে কথা বলেছেন, তিনি সরকারকে ‘পদক’ হিসেবে দেখার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই উত্থানের পর অনেক বাসিন্দা মামলায় জড়িয়ে জেলখানায় গেছেন এবং ভবিষ্যতে সরকারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

এইসব উদ্বেগের আলোকে, নির্বাচনী প্রচারাভিযান চলমান অবস্থায় প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন যে, মুগিং ও গ্যাং হিংসা দমন, মাদকদ্রব্যের অবরোধ, বেআইনি জমি দখল বন্ধ এবং ফুটপাথের স্বাভাবিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, কৃষি মার্কেটের পুনর্নির্মাণ এবং জেনেভা ক্যাম্পের স্থায়ী পুনর্বাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে বলা হয়েছে।

প্রতিবাদী গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা আবারও জোর দিয়ে বলেছেন, সরকারকে ভোটারদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে এবং নির্বাচনের পর দ্রুত বাস্তবায়নমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। তারা উল্লেখ করেন, ভোটারদের প্রত্যাশা শুধুমাত্র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়নেও সমান গুরুত্ব পাবে।

এই রেলি ও আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে, ধারা‑১৩-এ ভোটারদের ভোটের সময় প্রার্থীর নীতি, কর্মসূচি ও বাস্তবায়ন ক্ষমতা মূল্যায়ন করার সুযোগ থাকবে। নির্বাচনের ফলাফল কীভাবে এই এলাকার নিরাপত্তা, সামাজিক অবকাঠামো এবং পুনর্বাসন প্রকল্পে প্রভাব ফেলবে তা পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments