বাফটা চলচ্চিত্র পুরস্কারের নামপ্রকাশ শীঘ্রই হবে; টিমোথি শালামেট, এমা স্টোন, জেসি বাকলি ও জ্যাকব এলোর্ডি সহ কয়েকজন আন্তর্জাতিক অভিনেতা প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারেন। অনুষ্ঠানটি লন্ডনে ২২ ফেব্রুয়ারি রবিবার অনুষ্ঠিত হবে এবং অ্যালান কামিং উপস্থাপন করবেন।
এই বছরের চলচ্চিত্র পুরস্কার মৌসুমে বাফটা শেষ প্রধান সংস্থা, যা ওসকারের নামপ্রকাশের পরবর্তী সপ্তাহে নিজের তালিকা প্রকাশ করবে। ওসকারের নামপ্রকাশ ইতিমধ্যে গত সপ্তাহে সম্পন্ন হয়েছে।
প্রধান চলচ্চিত্র হিসেবে হ্যামনেট, সিনার্স এবং ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদারকে শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, কে-পপ ডেমন হান্টার্সকে যোগ্যতা নিয়মের কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে।
বাফটা ওসকারের সঙ্গে অনেক চলচ্চিত্রে সমন্বয় রাখবে, তবে ব্রিটিশ চলচ্চিত্র ও শিল্পীর উপস্থিতি বেশি হবে। বাফটার বিশেষ বিভাগে ব্রিটিশ প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আলাদা পুরস্কার রয়েছে।
বাফটা ছয়টি স্লট প্রদান করে, যেখানে ওসকারে মাত্র পাঁচটি স্লট থাকে; এ কারণে আরও বেশি চলচ্চিত্র ও অভিনেতাকে স্বীকৃতি দেওয়া সম্ভব হবে। এই পার্থক্য প্রার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ তৈরি করে।
অ্যালান কামিং ২২ ফেব্রুয়ারি রবিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত বাফটা চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানের হোস্ট হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত হবেন। তার উপস্থিতি অনুষ্ঠানে রঙিনতা ও আকর্ষণ যোগাবে।
নামপ্রকাশের পূর্বে দীর্ঘ তালিকায় সর্বাধিক উল্লেখ পাওয়া চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ও ব্রিটিশ শিরোনাম রয়েছে। এই তালিকা চলচ্চিত্রের গুণগত মান ও শিল্পের স্বীকৃতি উভয়ই প্রতিফলিত করে।
ব্রিটিশ ও আইরিশ অভিনেতারা নিজের মাটিতে ভাল পারফরম্যান্স দেখায়, এবং বাফটায় ‘আউটস্ট্যান্ডিং ব্রিটিশ ডেবিউ’ ও ‘আউটস্ট্যান্ডিং ব্রিটিশ ফিল্ম’ সহ বিশেষ বিভাগ রয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ‘আই স্বেয়ার’ রয়েছে, যা ১৯৮০-এর দশকের স্কটল্যান্ডে টুয়েটের রোগে আক্রান্ত এক যুবকের গল্প তুলে ধরে। আর ‘দ্য ব্যালাড অফ ওয়ালিস আইল্যান্ড’ একটি হাস্যকর ও হৃদয়স্পর্শী চলচ্চিত্র, যেখানে এক অদ্ভুত লটারি বিজয়ী তার প্রিয় সঙ্গীত দম্পতিকে পুনরায় একত্রিত করার চেষ্টা করে।
অন্যান্য ব্রিটিশ চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘পিলিয়ন’ উল্লেখযোগ্য, যা দুই পুরুষের BDSM সম্পর্কের গভীরতা অনুসন্ধান করে। এছাড়া ‘H ইজ’ শিরোনামের স্ক্রিন অভিযোজনও প্রশংসিত হয়েছে এবং নামপ্রকাশে উল্লেখযোগ্য হতে পারে। বাফটা নামপ্রকাশে আন্তর্জাতিক হিট চলচ্চিত্রের সঙ্গে ব্রিটিশ চলচ্চিত্রের শক্তিশালী উপস্থিতি প্রত্যাশিত, যা দর্শকদের জন্য বৈচিত্র্যময় ও সমৃদ্ধ তালিকা নিশ্চিত করবে।



