28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাআইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল

আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল

আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, ফলে কোনো স্থানীয় মিডিয়া প্রতিনিধি টুর্নামেন্টে উপস্থিত হতে পারবে না। এই সিদ্ধান্তের পেছনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ভারতীয় ভ্রমণ না করার কারণে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া এবং পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা অন্তর্ভুক্ত।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তিনটি ম্যাচ কলকাতা ও একটি ম্যাচ মুম্বাইতে নির্ধারিত ছিল। আইসিসি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বাংলাদেশি মিডিয়া হাউসগুলো থেকে আবেদন পেয়ে, পূর্বে জমা দেওয়া সব অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে, দল খেলুক বা না খেলুক, টুর্নামেন্টের পুরো কভারেজের জন্য প্রস্তুত থাকা সাংবাদিকদের ভারত ও শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পরিকল্পনা নষ্ট হয়েছে।

১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশি সাংবাদিকরা প্রতিটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি উভয় ফরম্যাটে তারা মাঠের কাছাকাছি থেকে রিপোর্টিং, বিশ্লেষণ ও ছবি সরবরাহ করে দেশের ভক্তদের সঙ্গে সংযোগ বজায় রেখেছে। এমন ঐতিহ্যগত উপস্থিতি, যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কখনও কখনও টুর্নামেন্টে অংশ না নিতে পারে, তবু মিডিয়া কভারেজে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে।

আইসিসির এই পদক্ষেপের পর দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বহু মিডিয়া সংস্থা ও স্বাধীন সাংবাদিক সমবেত হয়ে আইসিসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং অ্যাক্রিডিটেশন পুনর্বিবেচনার দাবি তুলেছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে উপস্থিতি ক্রীড়া সংস্কৃতি প্রচার ও দেশের গর্ব বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রতিবাদসূচক প্রকাশে বলা হয়েছে, “যদি আমাদের দেশের দল না যায়, তবু আমাদের সাংবাদিকদের উপস্থিতি না থাকলে বিশ্বকাপের কভারেজ অসম্পূর্ণ থাকবে”। এই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে মিডিয়া সংস্থাগুলো আইসিসির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পুনরায় অনুমোদনের আবেদন করার পরিকল্পনা করেছে। তবে আইসিসি এখনো কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করেনি যে, কেন সব আবেদন একসাথে বাতিল করা হয়েছে।

টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ম্যাচগুলো ১লা অক্টোবর থেকে ১০ই অক্টোবরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। যদিও দল এখন টুর্নামেন্ট থেকে বাদ, তবু আইসিসি নির্ধারিত সময়ে অন্যান্য দলগুলোর ম্যাচ চালিয়ে যাবে। স্কটল্যান্ডের অন্তর্ভুক্তি নতুন দল হিসেবে টুর্নামেন্টের গতি পরিবর্তন করবে এবং শিডিউলে সামান্য পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

আইসিসি এই সিদ্ধান্তের পেছনে নিরাপত্তা, ভ্রমণ অনুমতি বা অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় উল্লেখ করে থাকতে পারে, তবে অফিসিয়াল কোনো বিবৃতি প্রকাশিত হয়নি। ফলে, মিডিয়া সংস্থাগুলোকে এখনো স্পষ্ট তথ্যের অভাবে অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়াতে হচ্ছে।

বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিকদের সমষ্টিগত প্রতিবাদে সামাজিক মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা দেখা গেছে। হ্যাশট্যাগ ও পোস্টের মাধ্যমে তারা আইসিসির ন্যায়পরায়ণতা ও স্বচ্ছতা দাবি করে চলেছেন। এই আন্দোলনটি কেবল টুর্নামেন্টের কভারেজ নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টে দেশের মিডিয়ার অধিকার রক্ষার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আইসিসি যদি ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তন করে, তবে তা দ্রুত জানানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ততক্ষণে, দেশের ক্রীড়া ভক্তরা টুর্নামেন্টের ফলাফল ও বিশ্লেষণ অনুসরণ করতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার অন্যান্য সূত্রের ওপর নির্ভর করতে হবে।

এই ঘটনার পর, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রশাসনও টুর্নামেন্টের বাইরে অন্যান্য আন্তর্জাতিক সিরিজে প্রস্তুতি চালিয়ে যাবে। যদিও টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া একটি বড় ধাক্কা, তবু দলটি ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার জন্য প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা চালিয়ে যাবে।

সারসংক্ষেপে, আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সব অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করেছে, যা দেশের ক্রীড়া মিডিয়ার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। প্রতিবাদ ও পুনর্বিবেচনার দাবি চলমান, এবং টুর্নামেন্টের বাকি অংশে অন্যান্য দল ও ম্যাচের কভারেজ অব্যাহত থাকবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments