বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি হিসেবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারত এ তিলাক ভার্মাকে কোনো ম্যাচে দেখতে পাওয়া যাবে না। ২৩ বছর বয়সী তরুণের টেস্টিকুলার সার্জারির পর সেরে ওঠার প্রক্রিয়া চলমান, ফলে তিনি সিরিজের শেষ পর্যন্ত মাঠে নামেননি।
সিরিজের প্রথম তিনটি ম্যাচে তিলাকের নাম দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যদিও শেষ দুইটি ম্যাচে তাকে অন্তর্ভুক্ত করার আশা ছিল। তবে পুনরুদ্ধারের ধীরগতি তাকে শেষ দুই ম্যাচের তালিকাতেও না রাখে।
টেস্টিকুলার অপারেশন সম্পন্ন করার পর তিলাকের ফিটনেস পুনরুদ্ধার করতে ভারত এ তাকে অতিরিক্ত বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। চিকিৎসক ও কোচিং স্টাফের মতে, তিনি ৩ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইতে বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন।
প্রথম তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শ্রীয়াস আইয়ারকে তিলাকের বদলি হিসেবে দলে রাখা হয়। আইয়ার মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে দলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। তিনি শেষ দুই ম্যাচেও দলে থাকবেন, যদিও তিনি বিশ্বকাপের দলে অন্তর্ভুক্ত নন।
শ্রীয়াসের উপস্থিতি দলকে ধারাবাহিকতা প্রদান করেছে। তার ব্যাটিং শৈলী ও অভিজ্ঞতা ভারত একে প্রথম তিনটি ম্যাচে জয় নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। ফলে সিরিজের স্কোরে ভারত এ ইতিমধ্যে তিনটি জয় নিয়ে অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বাকি দুইটি ম্যাচের সময়সূচি বুধবার ও শনিবার নির্ধারিত হয়েছে। এই ম্যাচগুলোতে ভারত এ সিরিজ জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি শেষ মুহূর্তে টিমের ফর্ম পরীক্ষা করার সুযোগ পাবে।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম তিনটি ম্যাচে শ্রীয়াস আইয়ার একবারও মাঠে উপস্থিত হননি, তবে তার অনুপস্থিতি সত্ত্বেও ভারত এ সব ম্যাচ জিতে সিরিজের শীর্ষে উঠে এসেছে। এই ধারাবাহিকতা দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।
সিরিজের জন্য ভারত এ যে দলে মাঠে নামবে, তাতে সুরিয়াকুমার ইয়াদাভ অধিনায়ক, আভিশেক শর্মা, সাঞ্জু স্যামসন (কিপার), শ্রীয়াস আইয়ার, হার্দিক পান্ডিয়া, শিভাম দুবে, আকসার প্যাটে (সহ-অধিনায়ক), রিঙ্কু সিং, জাসপ্রিত বুমরাহ, হার্শিত রানা, আরশদিপ সিং, কুলদিপ ইয়াদাভ, ভারুন চক্রবর্তী, ইশান কিষান (কিপার) এবং রাভি বিষ্ণই অন্তর্ভুক্ত।
দলটির কৌশলগত গঠন ও ব্যাটিং শৃঙ্খলা সিরিজের প্রথম তিনটি ম্যাচে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অধিনায়ক সুরিয়াকুমার ইয়াদাভের নেতৃত্বে দলটি শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে খেলেছে এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
শ্রীয়াস আইয়ারকে বিশ্বকাপের দলে অন্তর্ভুক্ত না করা সত্ত্বেও, তার উপস্থিতি সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে দলকে অভিজ্ঞতা ও স্থিতিশীলতা প্রদান করবে। কোচিং স্টাফের মতে, আইয়ারকে শেষ দুই ম্যাচে ব্যবহার করা হবে মিডল অর্ডারকে শক্তিশালী করতে এবং তরুণ খেলোয়াড়দের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে।
সিরিজের বাকি দুইটি ম্যাচের ফলাফল নির্ভর করবে নিউজিল্যান্ডের পারফরম্যান্সের ওপর, তবে বর্তমান অবস্থায় ভারত এ সিরিজ জয় নিশ্চিত করার সম্ভাবনা বেশি। শেষ পর্যন্ত, তিলাকের পুনরুদ্ধার ও বিশ্বকাপের প্রস্তুতি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়ে যাবে।



