22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইলেকশন কমিশনের সিনিয়র সেক্রেটারি বললেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সমতাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত

ইলেকশন কমিশনের সিনিয়র সেক্রেটারি বললেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সমতাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত

ইলেকশন কমিশনের সিনিয়র সেক্রেটারি আকতার আহমেদ আজ বিকেলে আগারগাঁও, ঢাকা-তে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদীয় নির্বাচন ও রেফারেন্ডামের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ এবং সমতাপূর্ণ প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রার্থীরা অভিযোগ দায়ের করতে পারে এবং প্রচারাভিযান চালাতে পারে, এটাই সমতার মূল সূচক।

আকতার আহমেদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জোর দিয়ে বললেন, প্রার্থীদের অভিযোগের সুযোগ ও স্বাধীন প্রচারই সমতাপূর্ণ মাঠের প্রমাণ; যদি তা না থাকত, তবে পরিস্থিতি ভিন্ন হতো। তার এই মন্তব্যের পেছনে ইসিএর প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতা ও আইনি কাঠামোর প্রতি আস্থা প্রকাশ পায়।

গতকাল ইসিএ, দূতাবাস, কূটনৈতিক মিশন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪১টি মিশনের প্রধান, ১২টি জাতিসংঘ সংস্থার প্রতিনিধি এবং সরকারী কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে নির্বাচনী ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

দূতাবাসের প্রতিনিধিরা প্রধানত দুইটি বিষয় সম্পর্কে তথ্য চেয়েছিলেন: নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সামরিক-প্রশাসনিক কমান্ডের কাঠামো। নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে আকতার আহমেদ পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, র‌্যাব এবং আন্সার বাহিনীর সংখ্যা ও মোতায়েনের স্থান সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করেন। এছাড়া তিনি জানান, ভোটকেন্দ্রে ২৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ পর্যন্ত স্থানে পুলিশ কর্মীরা বডি-ওয়্যার ক্যামেরা ব্যবহার করবে, যা ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা বাড়াবে।

ফলাফল প্রকাশের সময়সীমা সম্পর্কেও তিনি স্পষ্ট ধারণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রের ফলাফল তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশিত হবে, তবে বিদেশি ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালটের কারণে গণনা কিছুটা বেশি সময় নিতে পারে। দেশীয় ও বিদেশি ভোটের ব্যালটের ফরম্যাট ভিন্ন, ফলে রিটার্নিং অফিসারদের ১১৯টি প্রতীক ভিজ্যুয়ালি স্ক্যান করতে হবে, যা সময় বাড়ায়।

কমান্ড স্ট্রাকচার সম্পর্কে প্রশ্নে ইসিএয়ের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহের বক্তব্য উল্লেখ করা হয়। তিনি জানান, প্রতিটি সশস্ত্র বাহিনী তাদের নিজস্ব কমান্ড বজায় রাখবে, তবে সমগ্র প্রক্রিয়ার সমন্বয় নিশ্চিত করা হবে এবং কোনো একক বাহিনী অন্যকে অতিক্রম করতে পারবে না। এই ব্যবস্থা নির্বাচনের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অবশেষে, নির্বাচনী লঙ্ঘনের প্রতি ইসিএয়ের অবস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে আকতার আহমেদ জোর দিয়ে বললেন, কমিশন সকল ধরনের লঙ্ঘন পর্যবেক্ষণ ও প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত। তিনি নিশ্চিত করেন, প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই বিবরণগুলো থেকে স্পষ্ট যে, ইসিএ নির্বাচনের পূর্বে নিরাপত্তা, ফলাফল প্রকাশের গতি এবং সমতাপূর্ণ প্রতিযোগিতার বিষয়গুলোতে বিস্তৃত প্রস্তুতি নিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে সক্রিয় সংলাপ বজায় রেখেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া ভোটের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুন দিকনির্দেশে নিয়ে যাবে, তাই সকল অংশগ্রহণকারীকে আইনানুগ প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা জরুরি।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments