22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচীন-ভারত সম্পর্কের উন্নতি: শি জিনপিং 'ভালো প্রতিবেশী ও বন্ধু' মন্তব্য

চীন-ভারত সম্পর্কের উন্নতি: শি জিনপিং ‘ভালো প্রতিবেশী ও বন্ধু’ মন্তব্য

ভারত এ প্রজাতন্ত্র দিবসের উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানাতে চীন রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং বলেছেন, দুই দেশকে “ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার” হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এই মন্তব্যটি চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ারের বার্তা থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

শি জিনপিং উল্লেখ করেছেন, গত এক বছরে চীন-ভারত সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করেছে এবং এই অগ্রগতি বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জোর দিয়ে বলছেন, পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদার হওয়াই উভয় দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সম্পর্ককে রূপকভাবে “ড্রাগন ও হাতির একসঙ্গে নাচ” বলে বর্ণনা করে শি জিনপিং বলেছেন, উভয় দেশ পারস্পরিক সংযোগ ও সহযোগিতা বাড়িয়ে তুলবে এবং একে অপরের উদ্বেগ সমাধানে কাজ করবে। তিনি দুই দেশের মধ্যে স্থিতিশীল ও সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।

চীন ও ভারত এ পারস্পরিক সীমানা প্রায় ৩,৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ, যার বেশিরভাগ অংশ এখনও সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারিত নয় এবং ১৯৫০-এর দশক থেকে বিরোধের বিষয় রয়ে এসেছে। ২০২০ সালে সীমান্ত সংঘর্ষে ভারতীয় সেনা থেকে ২০ জনের বেশি এবং চীনা সেনা থেকে কয়েকজন নিহত হয়, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় এবং হিমালয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়।

সেই ঘটনার পর থেকে উভয় পক্ষ উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে এসেছে। গত বছর থেকে শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা একে অপরের দেশে সফর করে বিষয়গুলোতে সমঝোতা বাড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথ সুগম করেছেন।

বাণিজ্যিক সংযোগের দিকেও অগ্রগতি দেখা গেছে; ২০২৫ সালে সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হওয়ায় দুই দেশের প্রধান শহরের মধ্যে নিয়মিত ফ্লাইট চালু হয়েছে। এই পদক্ষেপটি ব্যবসা ও পর্যটন ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

অধিকন্তু, যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণাত্মক নীতি নিয়ে চীন ও ভারত এ উভয়ই অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসন বাড়ানোর লক্ষ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিসর বিস্তৃত করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। উভয় সরকারই পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করে এমন চুক্তি ও প্রকল্পে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, শি জিনপিংয়ের এই মন্তব্য এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলো ভবিষ্যতে সীমান্ত বিরোধের সমাধান ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ভিত্তি স্থাপন করবে। উভয় দেশই উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার এবং পারস্পরিক উদ্বেগ দূর করার মাধ্যমে স্থিতিশীল প্রতিবেশী সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্য রাখছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments