27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাবাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস এসোসিয়েশন শুল্কমুক্ত সুতো আমদানি সুবিধা বজায় রাখার দাবি

বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস এসোসিয়েশন শুল্কমুক্ত সুতো আমদানি সুবিধা বজায় রাখার দাবি

ঢাকা শহরের বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস এসোসিয়েশন (BGBA) প্রধান ও সদস্যরা আজ সরকারকে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতো শুল্কমুক্ত আমদানি সুবিধা প্রত্যাহার না করার জন্য তাগিদ জানিয়েছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে এই সুবিধা প্রত্যাহার হলে দেশের পোশাক রপ্তানি ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতার অবস্থান দুর্বল হবে।

সমাবেশটি “দেশের রেডিমেড গার্মেন্ট শিল্প সংকটে: বেঁচে থাকার সংগ্রাম” শিরোনামে অনুষ্ঠিত হয়, যা সংস্থার সদর দফতরে অনুষ্ঠিত হয়।

BGBA-র সভাপতি মোহাম্মদ মোফাজ্জল হোসেন পবেল এই সুযোগে সরকারকে ১০-৩০ কাউন্টের সুতো আমদানি করার জন্য বন্ডেড গুদাম সুবিধা অব্যাহত রাখতে এবং নীতি নির্ধারণে গার্মেন্ট সেক্টরের সব অংশীদারকে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন যে সঠিক প্রণোদনা ছাড়া শিল্পের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা কঠিন।

প্রস্তাবের মধ্যে বিদেশি ক্রেতাদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ভ্রমণের ব্যবস্থা, নির্বাচনী সময়কালে শিল্প-বান্ধব পরিবেশ রক্ষা এবং স্থিতিশীল বাজার গড়ে তোলার জন্য দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি অন্তর্ভুক্ত।

শক্তি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতে বিশেষ শিল্প সহায়তা প্রদানকে ত্বরান্বিত করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন, যাতে উৎপাদন খরচ কমে এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।

রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন ও কার্যকর প্রণোদনা ঘোষণার পাশাপাশি ব্যাংকিং সেক্টরকে লেটার অফ ক্রেডিট (L/C) ফাইন্যান্সিং ও পেমেন্ট ক্লিয়ারেন্স দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। এই ব্যবস্থা রপ্তানির নগদ প্রবাহ স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে।

ছোট ও মাঝারি আকারের ফ্যাক্টরিগুলোর জন্য বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের প্রস্তাবও করা হয়েছে। এই প্যাকেজগুলোতে স্বল্প সুদে ঋণ, গ্র্যান্ট এবং প্রযুক্তি আপগ্রেডের জন্য সহায়তা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

অধিকন্তু, গার্মেন্ট শিল্পের জন্য একটি স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠন করার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে রপ্তানি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারণ সহজ হয় এবং শিল্পের বিশেষ চাহিদা দ্রুত সাড়া দেয়া যায়।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে ঐতিহ্যবাহী এবং উদীয়মান বাজার উভয় ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের পোশাক ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পায়।

বর্তমানে বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস এসোসিয়েশনের প্রায় ১,৮০০টি নিবন্ধিত সদস্য রয়েছে, যারা সম্মিলিতভাবে বছরে প্রায় ১.২ থেকে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। এই অবদান দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং রপ্তানি ভিত্তিক বৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

সংস্থার মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন যে গার্মেন্ট সেক্টর বর্তমানে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, লজিস্টিক বাধা এবং দক্ষ শ্রমের ঘাটতির মতো কাঠামোগত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এসব সমস্যার সমাধান না হলে রপ্তানি আয় এবং কর্মসংস্থান উভয়ই প্রভাবিত হবে, তাই নীতি নির্ধারকদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments