পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) এর একাদশ মৌসুমে নিলামভিত্তিক খেলোয়াড় নির্বাচন পদ্ধতি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। নিলামের নির্ধারিত তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি, যা আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। এটি পূর্বে ব্যবহৃত প্লেয়ার ড্রাফট পদ্ধতি বাতিল করে নতুন মডেল গ্রহণের ধারাবাহিকতা। নতুন পদ্ধতি লিগের প্রতিযোগিতামূলক গতি বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) রোববার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে নিলামের সময়সূচি জানায়, তবে ভেন্যু সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক পাকিস্তানি রুপিতে নির্ধারিত হবে। এই ঘোষণার মাধ্যমে পূর্বে বাতিল করা প্লেয়ার ড্রাফট পদ্ধতির পরিবর্তে নতুন মডেলকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
নিলামে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক পাকিস্তানি রুপিতে নির্ধারিত, যেখানে শীর্ষ ক্যাটাগরির ভিত্তি মূল্য ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। অন্যান্য ক্যাটাগরির জন্য ভিত্তি মূল্য যথাক্রমে ২ কোটি ২০ লাখ, ১ কোটি ১০ লাখ এবং ৬০ লাখ টাকা রাখা হয়েছে। এই ভিত্তি মূল্যগুলো দলগুলোর বাজেট পরিকল্পনা ও খেলোয়াড়ের বাজারমূল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই মৌসুমে হায়দরাবাদ ও শিয়ালকোট নামে দুইটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি যোগদান করেছে। নতুন দলগুলোকে লিগের কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা প্রতিযোগিতার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করবে। দলগুলো প্রথম নিলাম থেকে অংশগ্রহণ করে মৌসুমের শুরুর সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নামবে।
প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি তাদের বর্তমান স্কোয়াড থেকে সর্বোচ্চ চারজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে। প্লাটিনাম, ডায়মন্ড, গোল্ড এবং সিলভার—এই চারটি ক্যাটাগরি থেকে প্রত্যেক দল একজন করে খেলোয়াড় রিটেইন করতে পারবে, যদিও নির্দিষ্ট ক্যাটাগরি এখনও প্রকাশিত হয়নি। এই রিটেইন নীতি দলকে মূল কোর খেলোয়াড়দের সঙ্গে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। অবশিষ্ট খেলোয়াড়দের নিলামের মাধ্যমে নতুন দলে স্থানান্তর করা হবে।
একটি দলে মোট ১৬ থেকে ২০ জন ক্রিকেটার থাকতে পারবে, যার মধ্যে বিদেশি খেলোয়াড়ের সংখ্যা পাঁচ থেকে সাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সব খেলোয়াড়ের সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি হবে, যা দলকে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে সহায়তা করবে। বিদেশি খেলোয়াড়ের উপস্থিতি লিগের গুণগত মান ও আন্তর্জাতিক আকর্ষণ বাড়াবে।
প্রতিটি দলে অন্তত একজন ২৩ বছরের নিচের স্থানীয় খেলোয়াড় থাকতে বাধ্য, যিনি পূর্বে পিএসএলে অংশগ্রহণ করেননি। এই শর্ত নতুন প্রতিভা উন্মোচনে সহায়তা করবে এবং দেশের তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করবে। এভাবে লিগের ভবিষ্যৎ দিকেও তরুণদের ভূমিকা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
নিলামের বাইরে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে একজন বিদেশি খেলোয়াড়কে সরাসরি চুক্তিবদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নিলামের বাজেট ৪৫ কোটি টাকা নির্ধারিত, তবে সরাসরি বিদেশি সাইনিংয়ের সুযোগের ফলে বাজেট



