রবিবার বিকাল ২৫ জানুয়ারি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় পশু হাসপাতালের মোড়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী র্যালিতে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। র্যালিটি ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ‑৬) আসনের দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আয়োজিত হয় এবং স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে পার্টির নীতি প্রচারের উদ্দেশ্য ছিল।
রেজাউল করীম র্যালিতে উল্লেখ করেন যে, দেশের মানুষের মধ্যে ইসলামের ন্যায়বিচার ও ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে প্রত্যাশিত বাক্সটি এখনো চুরি হয়েছে এবং এখনো কেবল প্রচলিত আইনগত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। তিনি বলেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশই একমাত্র দল যা ইসলামের নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, যদিও অন্যান্য দলও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে যদি ‘হাতপাখা’ প্রতীকী প্রার্থী নির্বাচিত হয়, তবে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফিরে আসবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পার্টির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং জনগণের জীবনে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন।
র্যালিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়িয়া আসনের ‘হাতপাখা’ প্রতীকী প্রার্থী আলহাজ মুফতি নূরে আলম সিদ্দিকী। তিনি রেজাউল করীমের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পার্টির নীতি ও নির্বাচনী কৌশল সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করেন।
অতিরিক্তভাবে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা র্যালিতে বক্তব্য রাখেন এবং পার্টির সংগঠনমূলক কাঠামো ও গ্রামীণ ভোটারদের সঙ্গে সংযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাদের বক্তব্যে স্থানীয় উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
র্যালির সময় উল্লেখ করা হয় যে, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনে অন্যান্য প্রধান দল থেকে আলাদা অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং ইসলামী নীতি অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এই অবস্থান পার্টির সমর্থকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
বিশ্লেষকরা র্যালির পরবর্তী ধাপকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন, কারণ ফুলবাড়িয়া আসনের ফলাফল পার্টির ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। রেজাউল করীমের আশাবাদী মন্তব্য এবং হাতপাখা প্রতীকী প্রার্থীর সম্ভাব্য জয় পার্টির রাজনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে।
র্যালি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে পার্টির কার্যক্রমের ব্যাপক কভারেজ দেখা যায়, যা ভোটারদের মধ্যে পার্টির নীতি ও লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সহায়তা করবে।



