চীকি-তিলো, তেলুগু ভাষার অপরাধ থ্রিলার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রাইম ভিডিওতে স্ট্রিমিং শুরু হওয়ার পর দ্রুত দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। প্রধান ভূমিকায় সোভিতা ধুলিপালা এবং বিশ্বদেব রচকোন্দা অভিনয় করেছেন, যা চলচ্চিত্রের কাহিনীর তীব্রতা ও আবেগকে সমর্থন করেছে।
প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উল্লেখযোগ্য ভিউ সংখ্যা অর্জন করে, যা তেলুগু সিনেমার ভক্তদের পাশাপাশি সাধারণ দর্শকদের কাছেও আগ্রহ জাগিয়ে তুলেছে। সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার ও মন্তব্যের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছবির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলচ্চিত্রের প্রকাশের পরপরই বেশ কিছু শিল্প ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে ইতিবাচক মন্তব্য পাওয়া গেছে। রানা দাগগুবতি, সুদীর বাবু এবং অন্যান্য পরিচিত মুখগুলো ছবিটিকে “অবশ্যই দেখা উচিত” বলে প্রশংসা করেছেন। তাদের মন্তব্যে ছবির গল্পের গঠন, চরিত্রের গভীরতা এবং সঞ্চালনের গতি উল্লেখ করা হয়েছে।
রানা দাগগুবতি ছবির কাহিনীর জটিলতা ও সোভিতা ধুলিপালার শক্তিশালী পারফরম্যান্সকে বিশেষভাবে উল্লেখ করে, এটি তেলুগু থ্রিলার জগতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন। সুদীর বাবু একইভাবে ছবির দৃশ্যমান শৈলী ও সাসপেন্সের মাত্রা প্রশংসা করে, দর্শকদের জন্য এটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা হবে বলে ধারণা প্রকাশ করেছেন।
সোভিতা ধুলিপালার চরিত্রটি একটি কঠিন পরিস্থিতিতে আটকে থাকা নারীকে উপস্থাপন করে, যার মানসিক সংগ্রাম ও বেঁচে থাকার ইচ্ছা ছবির মূল থিমের সঙ্গে মিলে যায়। তার অভিনয়কে সমালোচকরা সূক্ষ্ম ও প্রভাবশালী বলে মূল্যায়ন করেছে, যদিও সরাসরি উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হয়নি।
বিশ্বদেব রচকোন্দা ছবিতে প্রধান অপরাধী চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যার উপস্থিতি গল্পের মোড় ঘোরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তার পারফরম্যান্সকে দৃঢ় ও প্রভাবশালী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ছবির সামগ্রিক গতি ও উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।
চীকি-তিলোর সাউন্ডট্র্যাক ও পটভূমি সঙ্গীতও দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করেছে। স্থানীয় সঙ্গীতশিল্পী ও সাউন্ড ডিজাইনারের কাজকে চলচ্চিত্রের মুড ও পরিবেশের সঙ্গে সুনিপুণভাবে যুক্ত করা হয়েছে, যা গল্পের গভীরতা বাড়িয়ে তুলেছে।
প্রাইম ভিডিওতে ছবির স্ট্রিমিং শুরু হওয়ার পর থেকে, দর্শকরা সামাজিক মিডিয়ায় ছবির দৃশ্য, সংলাপ ও সাসপেন্সপূর্ণ মুহূর্তগুলো নিয়ে আলোচনা করছেন। এই ধরনের অনলাইন আলোচনায় ছবির জনপ্রিয়তা আরও বাড়ছে এবং নতুন দর্শককে আকৃষ্ট করছে।
চলচ্চিত্রের নির্মাণ দলও এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়ে, ভবিষ্যতে তেলুগু ভাষার আরও উচ্চমানের থ্রিলার তৈরি করার সংকল্প প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করেছে যে দর্শকের প্রত্যাশা পূরণে এই ধরনের প্রকল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চীকি-তিলো তেলুগু সিনেমার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে, নতুন থ্রিলার শৈলীর অনুসন্ধান করে, এবং দর্শকের জন্য মানসম্পন্ন বিনোদন সরবরাহ করে। এই দিক থেকে ছবিটি ইতিমধ্যে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রাইম ভিডিওতে স্ট্রিমিং শুরু হওয়া এই ছবির সাফল্য, তেলুগু চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত বহন করে। শিল্পের অভ্যন্তরে ও বাহিরে উভয় ক্ষেত্রেই এই ধরনের প্রকল্পের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ কন্টেন্টের সম্ভাবনা নির্দেশ করে।
চূড়ান্ত পর্যায়ে, চীকি-তিলোকে তেলুগু থ্রিলার জগতে একটি উল্লেখযোগ্য স্থান অর্জন করতে দেখা যাচ্ছে। দর্শকদের জন্য এটি কেবল বিনোদন নয়, বরং মানসিক উত্তেজনা ও সামাজিক আলোচনার নতুন দিক উন্মোচন করে। তাই, তেলুগু সিনেমার প্রেমিক ও থ্রিলার অনুরাগীরা এই ছবিটি মিস না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।



