28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধলেস্টারের গিগলিং স্কুইড রেস্টুরেন্টে টয়লেটে লুকানো ওয়েবক্যাম ধরা পড়ে

লেস্টারের গিগলিং স্কুইড রেস্টুরেন্টে টয়লেটে লুকানো ওয়েবক্যাম ধরা পড়ে

লেস্টারের সেন্ট মার্টিন স্কোয়ারে অবস্থিত থাই রেস্টুরেন্ট গিগলিং স্কুইডে ৩০ ডিসেম্বর এক নারী গ্রাহক টয়লেট ব্যবহার করার সময় লুকানো লাইভ‑স্ট্রিমিং ক্যামেরা আবিষ্কার করেন। ৩২ বছর বয়সী একক মা, যিনি এনএইচএস-এ কর্মরত, ডিনার শেষে শৌচাগারে প্রবেশের পর ক্যামেরা ও তার সংযোগের চিহ্ন লক্ষ্য করেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে রেস্টুরেন্ট কর্মীদের জানিয়ে দেন এবং স্থানীয় লেসেস্টারশায়ার পুলিশকে অবহিত করেন।

ভিকটিমের বর্ণনা অনুযায়ী, টয়লেটের সিটের নিচে কাঁচা রঙের একটি ছোট কালো ডট দেখা গিয়েছিল, যা সাধারণ সাদা টয়লেটের সাথে অমিল ছিল। ক্যামেরাটি কিচেন রোল দিয়ে মোড়ানো একটি ব্যাটারি প্যাকের ওপর স্থাপিত ছিল এবং ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। তিনি জানিয়েছেন, এই দৃশ্য দেখার পর তার মন ভয় ও অস্বস্তিতে ভরে যায়, কারণ ব্যক্তিগত স্থানে কেউ নজরদারি করছিল তা কল্পনা করা কঠিন।

মহিলাটি বলেন, “এটি আমাকে অসুস্থ বোধ করিয়ে দিল; আমি নিজেকে এ থেকে দূরে রাখতে চেয়েছি, তবে অপরাধীকে এখনো আমার গোপনীয়তা দখল করেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এমন একটি গোপনীয় স্থানে কেউ আমাকে দেখছে বলে ভয় পাওয়া স্বাভাবিক, এবং টয়লেটটি বহু গ্রাহকের ব্যবহার করা হয়, তাই সম্ভাব্য প্রভাব বিস্তৃত হতে পারে।”

লেসেস্টারশায়ার পুলিশের বিবৃতি অনুযায়ী, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তদন্ত দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডিভাইসটি সংগ্রহ করে বিশ্লেষণের জন্য নিয়ে যায়। ক্যামেরা থেকে প্রাপ্ত ডেটা এবং রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি রেকর্ড পর্যালোচনা করা হচ্ছে, এবং কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে সম্ভাব্য দায়ী চিহ্নিত করার জন্য। এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেফতার করা হয়নি, তবে তদন্ত চলমান রয়েছে।

গিগলিং রেস্টুরেন্টের প্রতিনিধিও জানিয়েছেন, গ্রাহকের রিপোর্ট পাওয়ার পর তারা তৎক্ষণাৎ বিষয়টি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেয়। রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপনা কর্মীদের সতর্কতা বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া, রেস্টুরেন্টের সকল শৌচাগারে অতিরিক্ত নজরদারি ক্যামেরা ও নিয়মিত পরিদর্শন চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, লেসেস্টারশায়ার পুলিশ আইনগত দিক থেকে বিষয়টি গোপনীয়তা লঙ্ঘন এবং অবৈধ নজরদারি হিসেবে বিবেচনা করছে। সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে, অনুমতি ছাড়া গোপন ক্যামেরা স্থাপন করা অপরাধ এবং শাস্তি কঠোর হতে পারে। তদন্তের ফলাফল ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সামাজিকভাবে, এই ধরনের ঘটনা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে। বিশেষ করে পাবলিক স্থানে লুকানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হলে, তা শুধু আইনি দায়িত্বই নয়, নৈতিক দায়িত্বও উত্থাপন করে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত নিরাপত্তা পরিদর্শন এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে গ্রাহকের গোপনীয়তা রক্ষা পায়।

অধিক তথ্য ও আপডেটের জন্য লেসেস্টারশায়ার পুলিশ ও গিগলিং স্কুইড রেস্টুরেন্টের অফিসিয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে জানানো হবে। বর্তমানে তদন্ত চলমান, এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে তা জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments