27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলারাজান দিপের অপরাজিত ৪০০, ঝাড়খান্ডের ৭০০/৫ ঘোষণা

রাজান দিপের অপরাজিত ৪০০, ঝাড়খান্ডের ৭০০/৫ ঘোষণা

ঝাড়খান্ডের ব্যাটসম্যান রাজান দিপ শনি­বারের দ্বিতীয় দিনের ম্যাচে অপরাজিত ৪০০ রান তৈরি করে, কোয়ার্টারপল সেঞ্চুরি অর্জনকারী দ্বিতীয় খেলোয়াড়ের মর্যাদা অর্জন করেন। তিনি ৩৮৭ ডেলিভারিতে ৪৩টি চার ও ৭টি ছক্কা মারেন, এবং দলকে ৭০০ রানে ৫ উইকেটের সঙ্গে ঘোষণা করতে উদ্বুদ্ধ করেন।

এই পারফরম্যান্সটি কলোনেল এস.কে. নাইডু ট্রফির অনূর্ধ্ব-২৩ স্তরে ঘটেছে, যেখানে ঝাড়খান্ডের মুখোমুখি ছিল মেঘালয়ের দল। রাজান চার নম্বরে প্রবেশ করে এবং শুরুর ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি কাটিয়ে, দুইটি বড় অংশীদারিত্ব গড়ে তোলেন। প্রথমে তিনি নাকুল ইয়াদাভের সঙ্গে ২৭৬ রানের জুটি গড়ে দলকে স্থিতিশীল করেন, যার মধ্যে তিনি নিজে ১১৩ রান করেন।

নাকুলের বিদায়ের পর, রাজান শুব শার্মার সঙ্গে ৬৩ রানের অংশীদারিত্বে ২৫টি রান যোগ করেন, যা তার ব্যক্তিগত স্কোরকে আরও বাড়িয়ে দেয়। এরপর তিনি কনাইন কুরাইশির সঙ্গে ১৫৫ রানের জুটি গড়ে ৯৩ রান করেন, এবং নিতিন পান্ডের সঙ্গে ১৭৩ রানের অবিচ্ছিন্ন অংশীদারিত্বে ৮৩ রান যোগ করে স্কোরকে ৪০০ রানে পৌঁছে দেন।

রাজানের এই দীর্ঘ ইনিংসের সময় মেঘালয়ের বোলাররা প্রতিটি আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে ব্যবহার করতে বাধ্য হন, তবে কোনো বোলারই তাকে থামাতে পারেনি। তার ৪৩টি চার এবং ৭টি ছক্কা দলকে দ্রুত রানের প্রবাহ বজায় রাখতে সহায়তা করে, ফলে ঝাড়খান্ডের মোট স্কোর ৭০০ রানে পৌঁছায়।

মেঘালয়ের জবাব ছিল দ্বিতীয় দিন শেষে ৭৫ রান সংগ্রহে ৭ উইকেট হারিয়ে, যা তাদের ব্যাটিংয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। যদিও তারা শেষ পর্যন্ত স্কোর বাড়াতে সক্ষম হয়নি, তবে তাদের বোলিং প্রচেষ্টা ঝাড়খান্ডের ব্যাটিংকে সীমাবদ্ধ রাখতে যথেষ্ট ছিল না।

ক্লাসিক্যাল রেকর্ডের দিক থেকে, রাজানের ৪০০ রানের পারফরম্যান্সটি এখনও ইয়াশভার্ধান দালালের ৪৬৫ রানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের পরেই দ্বিতীয় সেরা রেকর্ড হিসেবে রয়ে গেছে। দালাল ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে হরিয়ানার হয়ে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ৪২৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন।

কোলোনেল এস.কে. নাইডু ট্রফি ১৯৭৩-৭৪ মৌসুম থেকে শুরু হয়ে, বিভিন্ন রাজ্য ও আঞ্চলিক ক্রিকেট সংস্থার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ৩৮টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এবং এটি কখনও অনূর্ধ্ব-২২, অনূর্ধ্ব-২৩, আবার অনূর্ধ্ব-২৫ স্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঝাড়খান্ডের এই জয় তাদের টুর্নামেন্টে শীর্ষস্থান অর্জনে বড় ভূমিকা রাখবে। দলটি এখন পরবর্তী রাউন্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে একই গ্রুপের অন্য দলগুলোর সঙ্গে মুখোমুখি হতে হবে।

টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী, ঝাড়খান্ডের পরবর্তী ম্যাচটি আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে তারা আবারও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে। কোচিং স্টাফের মতে, রাজানের ধারাবাহিকতা এবং দলের সামগ্রিক শৃঙ্খলা এই পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

এই ম্যাচের পরিসংখ্যানগুলো দেখায় যে ঝাড়খান্ডের ব্যাটিং লাইনআপের গড় স্কোর বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং বোলিং ইউনিটের চাপ কমেছে। মেঘালয়ের বোলারদের জন্য এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে উন্নতির সুযোগ এনে দেবে।

সারসংক্ষেপে, রাজান দিপের অপরাজিত ৪০০ রান এবং ঝাড়খান্ডের ৭০০/৫ ঘোষণা এই টুর্নামেন্টের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে, যা অনূর্ধ্ব-২৩ স্তরের ক্রিকেটে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments