28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনমুন চয় ও সন সুক্কু বেডফোর্ড পার্কের সানড্যান্স বিশ্বপ্রিমিয়ার প্রস্তুত

মুন চয় ও সন সুক্কু বেডফোর্ড পার্কের সানড্যান্স বিশ্বপ্রিমিয়ার প্রস্তুত

মুন চয় এবং সন সুক্কু অভিনীত নতুন চলচ্চিত্র ‘বেডফোর্ড পার্ক’ শনি­বার সানড্যান্সে বিশ্বপ্রিমিয়ার দেখাবে। দুই অভিনেতা বছরের পর বছর ছবির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এখন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমবারের মতো উপস্থাপিত হবে।

‘বেডফোর্ড পার্ক’ সানড্যান্সের প্রধান স্ক্রিনিং হিসেবে শনি­বার পার্ক সিটিতে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিশ্বব্যাপী চলচ্চিত্রপ্রেমীরা উপস্থিত থাকবে। চলচ্চিত্রটি প্রথমবারের মতো বৃহৎ মঞ্চে প্রদর্শিত হওয়ায় নির্মাতা ও কাস্ট উভয়েরই বিশেষ প্রত্যাশা রয়েছে।

মুন চয় ছবিতে প্রধান চরিত্রের পাশাপাশি নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি ২০১৯ সালে এই চরিত্রের জন্য অডিশন দেন এবং তখন থেকেই ছবির সৃজনশীল প্রক্রিয়ায় গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন।

অডিশনের পর চয় স্ক্রিপ্টটি এতটাই মনোযোগ দিয়ে পড়েন যে তিনি সাধারণত যে কাগজে মুদ্রণ করে পড়তেন, তা বাদ দিয়ে সরাসরি ফোনে স্ক্রল করে পড়ে ফেলেন। স্ক্রিপ্টের প্রতি তার আকর্ষণ এতই তীব্র ছিল যে তিনি তা সঙ্গে সঙ্গে শেষ করে ফেলেন।

চয় পার্ক সিটিতে জুমের মাধ্যমে কথা বলছেন, যেখানে তিনি তার সহ-অভিনেতা সন সুক্কুর পাশে বসে আছেন। দুজনই ছবির বিশ্বপ্রিমিয়ারের কয়েক দিন আগে এই সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করছেন।

সন সুক্কু ছবিতে ইলি চরিত্রে অভিনয় করছেন, যিনি অতীতের আঘাতের সঙ্গে লড়াই করা এক প্রাক্তন রেসলার। তার চরিত্রের জটিলতা এবং চয়য়ের অড্রি চরিত্রের সঙ্গে সম্পর্ক চলচ্চিত্রের মূল আকর্ষণ গড়ে তুলেছে।

‘বেডফোর্ড পার্ক’ স্টেফানি আহ্নের লেখা ও পরিচালনায় তৈরি, যিনি ত্যাগ এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের বিষয়গুলোকে কেন্দ্রে রাখেন। ছবিটি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের মাধ্যমে আধুনিক অভিবাসী জীবনের জটিলতা তুলে ধরতে চায়।

ফিল্মের অফিসিয়াল লোগলাইন অনুযায়ী, অড্রি (মুন চয়) নিউ জার্সিতে বড় হওয়া কোরিয়ান অভিবাসী পরিবারের সন্তান, যিনি কোরিয়ান ঐতিহ্য ও আমেরিকান পরিচয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বে জর্জরিত। ইলি (সন সুক্কু) তার অতীতের টুকরো টুকরো স্মৃতি নিয়ে সংগ্রাম করে, এবং দুজনের সম্পর্ক স্ব-সংরক্ষণ, সাংস্কৃতিক চাপ এবং স্বেচ্ছা প্রেমের মিশ্রণে গড়ে ওঠে।

চয় নিজে এই থিমের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত বোধ করেন। যদিও তিনি অভিবাসী নন, তবে শৈশবে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং কোরিয়ার মধ্যে ঘুরে বেড়ানোর ফলে তিনি নিজের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শিখেছেন।

তিনি বলেন, নিজের জন্মভূমি এবং বেড়ে ওঠার পরিবেশের মিশ্রণে কখনও কখনও নিজেকে কোথায় অন্তর্ভুক্ত করা যায় তা নিয়ে দ্বিধা হয়। এই অভিজ্ঞতা অড্রির চরিত্রের সঙ্গে তার সংযোগকে আরও বাস্তবিক করে তুলেছে।

চয় তার বাবা-মায়ের প্রচলিত কোরিয়ান মূল্যবোধের সঙ্গে নিজস্ব আমেরিকান অভ্যাসের টানাপোড়েনকে স্বীকার করেন। তিনি এই দ্বন্দ্বকে নিজের জীবনের অংশ হিসেবে দেখেন এবং ছবিতে তা প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করেন।

চিত্রের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি হল প্রেমের গল্প, যা চয়ের মতে পূর্বে তিনি কখনও দেখেননি। অড্রি ও ইলির সম্পর্কের সূক্ষ্মতা এবং অপ্রত্যাশিত মোড়গুলো তাকে নতুন অনুভূতি দিয়েছে।

‘বেডফোর্ড পার্ক’ সানড্যান্সে বিশ্বপ্রিমিয়ার হওয়ায় চলচ্চিত্রের সৃষ্টিকর্তা ও কাস্ট উভয়ই উচ্চ প্রত্যাশা প্রকাশ করছেন। দর্শকরা এই নতুন গল্পের মাধ্যমে আধুনিক অভিবাসী জীবনের জটিলতা এবং মানবিক সম্পর্কের গভীরতা অনুভব করতে পারবেন।

সানড্যান্সের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শনীতে ‘বেডফোর্ড পার্ক’ আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের পরিচয় গড়ে তুলবে, এবং মুন চয় ও সন সুক্কু তাদের অভিনয় দিয়ে দর্শকদের হৃদয় জয় করার লক্ষ্য রাখছেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments