27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিতারেক রহমান চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছালেন সন্ধ্যা ৭:৪৫ টায়

তারেক রহমান চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছালেন সন্ধ্যা ৭:৪৫ টায়

তারেক রহমান আজ সন্ধ্যা ৭:৪৫ টায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন, যেখানে বিশাল সংখ্যক বিএনপি নেতা ও কর্মী তার আগমনের অপেক্ষা করছিলেন। এ সময়ে পার্টির বিভিন্ন শাখা ও সংযুক্ত সংগঠন থেকে শতাধিক সদস্য বিমানবন্দরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় জমায়েত হয়।

দুপুরের পর থেকে বিএনপি কর্মীরা বিমানবন্দরের প্রবেশদ্বার ও পার্কিং এলাকায় তৎপরতা দেখিয়ে আসা গাড়ি-গণের দিকে নজর রাখছিলেন। উপস্থিতদের মধ্যে সাদা-নীল রঙের ব্যানার, পোস্টার এবং দলীয় স্লোগান দেখা গিয়েছিল, যা পার্টির সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের প্রতিফলন।

বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানায় বিএনপি স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য আহসান খান চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন কাদার চৌধুরি, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. শাহাদত হোসেন, চট্টগ্রাম শহরের পূর্বের জেনারেল সেক্রেটারি আবুল হাশেম বাকার এবং শহরের সদস্য সেক্রেটারি নাজিমুর রহমান। এই উচ্চপদস্থ নেতারা একত্রে তারেকের স্বাগত জানিয়ে হাততালি ও শুভেচ্ছা জানালেন।

আহসান খান চৌধুরীর সঙ্গে গিয়াস উদ্দিন কাদার চৌধুরীর উপস্থিতি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের চট্টগ্রাম অঞ্চলে দৃঢ় উপস্থিতি নির্দেশ করে। মেয়র ডা. শাহাদত হোসেনের অংশগ্রহণ স্থানীয় প্রশাসনিক সমর্থনকে সূচিত করে, যদিও তিনি কোনো রাজনৈতিক পদে নেই।

বিমানবন্দরের আশেপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছিল; পুলিশ ও রাইডিং গার্ডের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছিল যে কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটবে না। নিরাপত্তা দলগুলো ভিড়ের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে এবং পার্টি নেতাদের নিরাপদে গাড়িতে ওঠার জন্য সহায়তা করে।

তারেক রহমানের বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য উপস্থিতি পার্টির চলমান নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। পূর্বে বিএনপি বিভিন্ন শহরে র্যালি ও সমাবেশের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করছে, এবং চট্টগ্রামও তার পরিকল্পিত রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য।

বিএনপি স্থানীয় শাখা ও সংযুক্ত সংগঠনগুলো এই সফরকে সমন্বয় করার জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। কমিটির দায়িত্ব ছিল ভিড়ের নিরাপত্তা, পার্টি সামগ্রী বিতরণ এবং মিডিয়া কভারেজ নিশ্চিত করা। এই সংগঠনগুলো বিমানবন্দরের চারপাশে সাইনবোর্ড ও স্ট্যান্ড স্থাপন করে উপস্থিত সমর্থকদের নির্দেশনা দেয়।

বিমানবন্দরে তারেকের স্বাগত অনুষ্ঠানে কোনো সরকারি বক্তা বা বিরোধী দলের প্রতিনিধির উপস্থিতি রেকর্ড করা হয়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার তত্ত্বাবধান করেন।

স্বাগত অনুষ্ঠানের পর তারেক রহমানকে একটি সেবার গাড়িতে চড়িয়ে নিয়ে যান, যেখানে তিনি কয়েকজন পার্টি কর্মকর্তার সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। গাড়ি বিমানবন্দরের পার্কিং লটে থেমে, সেখানে উপস্থিত ভিড়ের সঙ্গে হাততালি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এই সফরটি পার্টির কেন্দ্রীয় অফিসের মাধ্যমে জানানো হয় যে, চট্টগ্রাম অঞ্চলে আরও সমাবেশ ও র্যালি পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে গণ্য হবে। পার্টি নেতারা উল্লেখ করেছেন যে, সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ গড়ে তোলা ভোটারদের মতামত জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

সামগ্রিকভাবে, তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরটি বিএনপির রাজনৈতিক উপস্থিতি দৃঢ় করার পাশাপাশি পার্টির ভিত্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যায়। ভবিষ্যতে পার্টি কীভাবে এই গতি বজায় রাখবে তা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টিতে থাকবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments