22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিডা. শফিকুর রহমানের গাইবান্ধা সমাবেশে চাঁদাবাজদের জন্য সম্মানের কাজের প্রতিশ্রুতি

ডা. শফিকুর রহমানের গাইবান্ধা সমাবেশে চাঁদাবাজদের জন্য সম্মানের কাজের প্রতিশ্রুতি

ডা. শফিকুর রহমান, জামায়াত-এ-ইসলামি আমির, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর এস এম উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে উপস্থিত হয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ্যগুলো তুলে ধরেন। সমাবেশটি শনিবার, ২৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় এবং স্থানীয় ভোটারদের সরাসরি লক্ষ্য করে বক্তৃতা দেয়া হয়।

সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান চাঁদাবাজ (অধিকৃতি) গোষ্ঠীর সদস্যদের সম্মানের কাজের প্রতিশ্রুতি জানান। তিনি বলেন, “ভয় পাবেন না, তোমরাও সমাজের অংশ, আমরা তোমাদের কাজকে সম্মানজনক করে তুলব।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি অপরাধমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের ইঙ্গিত দেন।

কৃষকদের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার মূল কারণ হিসেবে তিনি দুইটি বিষয় উল্লেখ করেন: প্রথমত, মধ্যস্বত্বভোগী গোষ্ঠীর আধিপত্য, এবং দ্বিতীয়ত, চাঁদাবাজের হস্তক্ষেপ। তিনি নিশ্চিত করেন যে, জামায়াত-এ-ইসলামি সব ধরনের চাঁদাবাজি নির্মূলের জন্য পদক্ষেপ নেবে।

ডা. শফিকুর রহমান দেশের আধিপত্যবাদী শাসনের প্রতি বিরোধ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা কোনো দেশের ওপর নজরদারি চাই না, এবং অন্য দেশেও তেমনই চাই না।” তিনি আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমান সম্পর্কের আহ্বান জানান।

বর্তমান শাসনব্যবস্থা, যা তিনি ৫৪ বছর ধরে চালু রয়েছে, তা ফ্যাসিবাদী নীতি বহন করে বলে সমালোচনা করেন। তিনি এই শাসনের পরিবর্তন ও সম্পূর্ণ সংস্কারের দাবি করেন, যাতে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা পায়।

গণভোটের পক্ষে ডা. শফিকুর রহমানের আহ্বান স্পষ্ট। তিনি আগামী ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত গণভোট ও সাধারণ নির্বাচনের সমন্বিত সময়সূচি উল্লেখ করে বলেন, গণভোট সফল হলে সাধারণ নির্বাচনের সাফল্যও নিশ্চিত হবে। তাই তিনি ভোটারদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে অনুরোধ করেন।

গণভোটের মাধ্যমে জুলাই মাসে শহীদদের সম্মান জানাতে এবং দেশের ভবিষ্যৎ গঠন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে এমন একটি সুযোগ হিসেবে তিনি এই পদক্ষেপকে তুলে ধরেন। তার মতে, গণভোটের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে নতুন দিকনির্দেশে নিয়ে যাবে।

উত্তরবঙ্গের নদীগুলোকে মরুভূমির মতো বর্ণনা করে ডা. শফিকুর রহমানের মন্তব্যে উল্লেখ করা হয়, নদীর পুনরুজ্জীবন হলে নর্থ বেঙ্গলের সমগ্র জীবনও পুনরুদ্ধার হবে। তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাশাপাশি নদীগুলোর পুনরুদ্ধারের জন্য বৃহৎ পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।

দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিভিত্তিক রাজধানী গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি নর্থ বেঙ্গলকে একটি কৃষি কেন্দ্র হিসেবে উন্নীত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সরকার গঠন হলে প্রথমে নদী পুনরুদ্ধারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, এটাই তার প্রতিশ্রুতি।

সমাবেশের সমাপ্তিতে ডা. শফিকুর রহমান গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের জামায়াত-এ-ইসলামি প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক প্রদান করেন। এই বিতরণটি পার্টির নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

এই সমাবেশের মাধ্যমে জামায়াত-এ-ইসলামি গাইবান্ধা অঞ্চলে তার রাজনৈতিক উপস্থিতি দৃঢ় করতে চায় এবং ভোটারদের কাছে তার নীতি ও লক্ষ্যগুলো স্পষ্ট করে উপস্থাপন করে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments