23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাবগুড়ায় চিলেকোঠা সাহিত্য পরিষদের ৫০তম আড্ডা অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় চিলেকোঠা সাহিত্য পরিষদের ৫০তম আড্ডা অনুষ্ঠিত

বগুড়ার চিলেকোঠা সাহিত্য পরিষদ সম্প্রতি তার ৫০তম আড্ডা আয়োজন করে, যেখানে সাহিত্যিক, গবেষক ও ব্যাংক কর্মকর্তা একত্রে সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

আড্ডার মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন লেখকদের মানসম্মত রচনা তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করা এবং সমগ্র সাহিত্য পরিবেশের গুণগত মান বজায় রাখা। নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত এই ধরনের পাঠচক্রের মাধ্যমে নবীন স্রষ্টারা অভিজ্ঞ লেখকদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে পারেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চিলেকোঠা সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, কবি প্রতীক ওমর। তিনি উল্লেখ করেন, চিলেকোঠা শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, বরং শুদ্ধ সাহিত্যচর্চার একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। তার মতে, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বগুড়ার সমৃদ্ধ সাহিত্য ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব।

অতিথিরা একে একে বলেন, সাহিত্য সমাজের দর্পণ এবং তা সঠিকভাবে চিত্রিত না হলে ইতিহাস বিকৃত হতে পারে। গবেষণাভিত্তিক সাহিত্যচর্চা না থাকলে সমাজের সত্যিকারের চিত্র হারিয়ে যাবে, এটাই তাদের মূল উদ্বেগ।

চিলেকোঠা সাহিত্য পরিষদের ধারাবাহিক আড্ডা বগুড়ার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে একটি বিরল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই সংগঠন নিয়মিতভাবে আলোচনার আয়োজন করে আসছে, যা স্থানীয় সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ।

অনুষ্ঠানে কৃষি ব্যাংকের প্রিন্সিপ্যাল অফিসার ও গবেষক মোবিন মাসুদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি ব্যাংকের সামাজিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে সাহিত্য ও গবেষণার সমন্বয়কে গুরুত্ব দেন এবং স্থানীয় লেখকদের সহায়তা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

কবি ও প্রবন্ধিক বাপ্পা আজিজুলও তার মতামত শেয়ার করেন। তিনি বলেন, সাহিত্যিক প্রকাশনা ও গবেষণার সমন্বয়ই নতুন প্রজন্মের লেখকদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারে।

চিলেকোঠা সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি, কবি মনজু রহমানও উপস্থিত ছিলেন। তিনি আড্ডার মাধ্যমে নতুন লেখকদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করে, ধারাবাহিক আলোচনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

অন্যান্য অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ছিলেন কবি একে আজাদ, প্রকাশনা সম্পাদক কবি হাসান রুহুল, সাধারণ সম্পাদক সেলিম এমরাজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক এনাম আহমেদ, কবি আখতার ইবনে জওহর এবং কবি সাদিক স্বপন। প্রত্যেকেই সাহিত্যকে সমাজের উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করেন।

বক্তারা একমত যে, সাহিত্যিক কর্মের গুণগত মান বজায় রাখতে গবেষণাভিত্তিক পদ্ধতি অবলম্বন করা জরুরি। তারা জোর দেন, লেখকদের উচিত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সামাজিক বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে রচনা গঠন করা।

আড্ডার শেষে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে আরও বেশি কর্মশালা ও পাঠচক্রের আয়োজনের প্রস্তাব দেন, যাতে বগুড়ার তরুণ লেখকরা সমৃদ্ধ পরিবেশে তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পারে।

শিক্ষা বিভাগের অভিজ্ঞ প্রতিবেদক হিসেবে, আমি লক্ষ্য করেছি যে এই ধরনের সাহিত্যিক সমাবেশ শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়, তবে শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তা ও সৃজনশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

যদি তুমি নিজে কোনো সাহিত্যিক গোষ্ঠীতে যোগ দিতে চাও, তবে নিকটস্থ গ্রন্থাগার বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য ক্লাবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারো। নিয়মিত আলোচনায় অংশগ্রহণ করলে লেখার দক্ষতা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা দুটোই উন্নত হবে।

তোমার মত, বগুড়ার সাহিত্যিক পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত? মন্তব্যে জানাও, যাতে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পরিকল্পনা তৈরি করা যায়।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments