22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানা ধ্বংস, এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে অবৈধ অস্ত্র কারখানা ধ্বংস, এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় অবৈধভাবে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র উৎপাদনের কারখানা সনাক্ত করে যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। সন্ধ্যা সময়ে ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন গ্রামে গৃহ অনুসন্ধান শেষে ৫২ বছর বয়সী বাদল সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানটি মধুখালী আর্মি ক্যাম্পের অধীনে পরিচালিত হয় এবং ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে সম্পন্ন হয়। অপারেশনটি ওসির ফকির তাইজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুষ্ঠু সমন্বয় নিশ্চিত করা যায়।

অধিক তদন্তে জানা যায়, বাদল সরকার ডুমাইন গ্রামে মৃত নিতাই সরকারের পুত্র। তার পূর্বে অস্ত্র সংক্রান্ত একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তিনি নজরদারির অধীনে ছিলেন। এই তথ্যগুলো তার গ্রেপ্তারের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে স্পষ্ট ছিল।

দলটি বাদলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র তৈরির উপকরণ উদ্ধার করে। তল্লাশিতে একটি সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপ গান, একটি ১২ গেজের কার্তুজ, চৌদ্দটি রিকয়েল স্প্রিং, দুইটি হ্যামার, একটি ড্রিল মেশিন, প্লায়ার্স, ব্লোয়ার এবং হ্যাকসহ অন্যান্য সরঞ্জাম পাওয়া যায়।

উদ্ধার করা উপকরণগুলো বিশ্লেষণের পর মধুখালী থানা পুলিশকে হস্তান্তর করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, এই সরঞ্জামগুলো গৃহস্থালি ব্যবহার নয়, অবৈধ অস্ত্র উৎপাদনের উদ্দেশ্যে ছিল।

অধিকন্তু, বাদল সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওসির বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে শিকাগোতে আদালতে হাজির করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

অভিযানের পরপরই বাদল সরকারকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবারের আদালতে পাঠানো হবে। আদালতে তাকে অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে বিচার করা হবে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে শাস্তি নির্ধারিত হবে।

স্থানীয় পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা এই ধরনের অবৈধ অস্ত্র উৎপাদন বন্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মধুখালী অঞ্চলে নিরাপত্তা বজায় রাখতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে বলে সূত্রপাত করা হয়েছে।

এই ঘটনার মাধ্যমে দেখা যায়, অবৈধ অস্ত্র শিল্পের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ায় আনা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা ও দ্রুত পদক্ষেপের ফলে সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

অবশেষে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি যে, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে সকল অবৈধ অস্ত্রের উৎপাদন ও বিক্রয় বন্ধ করা হবে এবং এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা বজায় থাকবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments