28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিরাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্রের প্রবাহ বৃদ্ধি

রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্রের প্রবাহ বৃদ্ধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালীন রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ বাড়ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় সীমান্তের এই দুই জেলার সীমান্তপথে প্রতিদিনই গুলি চালু অস্ত্র প্রবেশ করছে, যা নিরাপত্তা সংস্থার নজরদারি বাড়িয়ে তুলেছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ তিনটি ব্যাটালিয়ন নিয়মিতভাবে সীমান্তে মোতায়েন করেছে, তবু কাঁটাতারের ঘাটতি এবং ফাঁক দিয়ে অস্ত্র পাচারকারীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রায় ১৩০ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে মাত্র ৪০ কিলোমিটারেই এখনো কাঁটাতারের বেড়া নেই, যা সরাসরি অস্ত্র প্রবেশের পথ তৈরি করে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তে ধরা পড়া অস্ত্রের বেশিরভাগই যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদিত ৯মিমি পিস্তল। একই সঙ্গে, রাজশাহীর গোদাগাড়ি, পবা, বাঘা ও চারঘাটসহ অন্যান্য সীমান্তপথ থেকেও অবৈধ অস্ত্র দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। এই অস্ত্রগুলো ভোটের সময় সহিংসতার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সতর্কতা প্রকাশ করেছে।

রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. জামাত খান সীমান্তে অবৈধ অস্ত্রের প্রবাহ ও থানা থেকে চুরি হওয়া অস্ত্রের পুনরুদ্ধার না হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ভোটারদের ভোট দিতে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। একই সময়ে রাজশাহী-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু অবৈধ অস্ত্রধারীদের জাতির শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে, তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি তোলেন।

নির্বাচনের প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করার জন্য পুলিশ ২৭টি সীমান্তবর্তী জেলায় অস্ত্র চোরাচালানে জড়িত ৭৮৭ জন লাইনম্যানের তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩৮ জন, রাজশাহীর তিনজন, জয়পুরহাটের ১৬জন এবং নওগাঁর ১৯জনের নাম অন্তর্ভুক্ত। বাকি নামগুলো দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে আসা। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ওপর বিশেষ নজরদারি চালু রয়েছে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে নতুন সন্দেহভাজনদের তালিকা আপডেট করছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও স্থানীয় সূত্রের মতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জই বর্তমানে রাজশাহী বিভাগে সবচেয়ে বেশি অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশের কেন্দ্র। সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়াতে অতিরিক্ত তদারকি, কাঁটাতারের স্থাপন এবং গোপনীয়তা ভাঙার জন্য সমন্বিত অভিযান চালু করা হয়েছে। তবে অবৈধ অস্ত্রের প্রবাহ সম্পূর্ণরূপে থামাতে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments