27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাটনি ব্লুম স্বীকার করেছেন কট্রেল‑এর অ্যাকাউন্টে কোটি পাউন্ডের বাজি, ডাডফিল্ডের দাবিতে অস্বীকৃতি

টনি ব্লুম স্বীকার করেছেন কট্রেল‑এর অ্যাকাউন্টে কোটি পাউন্ডের বাজি, ডাডফিল্ডের দাবিতে অস্বীকৃতি

ব্রাইটন ও হোভ আলবিয়ন ক্লাবের মালিক টনি ব্লুম হাই কোর্টে দাখিল করা নথিতে স্বীকার করেছেন যে তার বেটিং সিন্ডিকেট জর্জ কট্রেল, যিনি Reform UK‑এর উপদেষ্টা, তার গেমিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কোটি কোটি পাউন্ডের বাজি ধরেছে। একই নথিতে তিনি রায়ান ডাডফিল্ডের সঙ্গে লাভ ভাগের চুক্তি স্বীকার করেছেন, তবে ডাডফিল্ডের আর কোনো শেয়ার পাওয়ার দাবি অস্বীকার করা হয়েছে।

ব্লুমের মতে, ডাডফিল্ড এবং কট্রেল একত্রে একটি চুক্তি করেছিল যেখানে জয়ী অর্থ তিনজনের মধ্যে ভাগ হবে। এই চুক্তি অনুসারে, ডাডফিল্ডের দায়িত্ব ছিল কট্রেলের অ্যাকাউন্টে বাজি রাখা এবং ফলাফল অনুযায়ী লাভ ভাগ করা। তবে ব্লুমের দল দাবি করে যে ডাডফিল্ড ইতিমধ্যে ডিসেম্বর ২০২২‑এ তার অংশের নগদীকরণ সম্পন্ন করেছে এবং আর কোনো বাকি নেই।

ডাডফিল্ডের বিরুদ্ধে ব্লুমের রক্ষা পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে জুলাই ২০২৩‑এ ডাডফিল্ডকে £60,000 ‘নিউসেন্স পেমেন্ট’ প্রদান করা হয়েছিল, যা তার সব দাবি নিষ্পত্তি করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। এই অর্থের পর ডাডফিল্ডের কোনো বাকি দাবি না থাকায়, ব্লুমের দল দাবি করে যে ডাডফিল্ডকে এখন কট্রেলের দিকে রেফার করা উচিত।

ডাডফিল্ডের আইনজীবী দল দাবি করে যে তার ক্লায়েন্টকে এখনও $১৭.৫ মিলিয়ন (প্রায় £১৩.১ মিলিয়ন) পাওনা রয়েছে। এই পরিমাণটি মূল চুক্তিতে নির্ধারিত লাভের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ডাডফিল্ডের মতে এখনও পরিশোধিত হয়নি। ডাডফিল্ডের দাবি অনুযায়ী, কট্রেল ও ব্লুমের সিন্ডিকেটের সঙ্গে তার চুক্তি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী।

টনি ব্লুম, যিনি ব্রাইটন ও হোভ আলবিয়নের প্রধান শেয়ারহোল্ডার ও চেয়ারম্যান, তার সম্পদ মূলত গেমিং শিল্প থেকে অর্জন করেছেন। তিনি ইউরোপের অন্যতম সফল বেটিং অপারেশনের পেছনে থাকা ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তার মালিকানাধীন ক্লাব প্রিমিয়ার লিগে স্থায়ী অবস্থান বজায় রাখলেও, এই আর্থিক বিতর্ক তার ব্যবসায়িক স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছে।

রায়ান ডাডফিল্ড, একজন পেশাদার গ্যাম্বলার, পূর্বে ব্লুমের জন্য কাজ করতেন এবং কট্রেলকে ব্লুমের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ডাডফিল্ডের মতে, তিনি কট্রেলের অ্যাকাউন্টে ব্লুমের জন্য বাজি রাখার সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং সেই সময়ে অর্জিত লাভের একটি অংশের অধিকারী। এই বিষয়টি উন্মোচিত হওয়ার পর ডাডফিল্ড ব্লুম ও তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে, যেখানে তিনি উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।

এই মামলাটি গেমিং শিল্পের গোপনীয় আর্থিক লেনদেনের ওপর আলোকপাত করেছে। উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ক্রীড়া ক্লাবের মালিকের মধ্যে এমন লেনদেনের উপস্থিতি, বিশেষত যখন তা কোটি কোটি পাউন্ডের পরিমাণে হয়, তখন তা জনসাধারণের নজরে আসে। আদালতে উন্মোচিত নথিগুলো দেখায় যে, এই ধরনের লুকায়িত বেটিং নেটওয়ার্কের কার্যক্রম কতটা জটিল এবং কত বড় আর্থিক প্রভাব ফেলতে পারে।

হাই কোর্টে চলমান এই মামলায় উভয় পক্ষই তাদের-নিজের যুক্তি উপস্থাপন করেছে এবং পরবর্তী শুনানিতে বিচারক কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা এখনো অনিশ্চিত। ডাডফিল্ডের দল দাবি করে যে ব্লুমের সিন্ডিকেটের সঙ্গে চুক্তি লঙ্ঘন হয়েছে, আর ব্লুমের দল জোর দিয়ে বলছে যে ডাডফিল্ডের সব দাবি ইতিমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। আদালতের চূড়ান্ত রায়ের ওপর নির্ভর করে, ভবিষ্যতে গেমিং শিল্পে এমন চুক্তির স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা বাড়তে পারে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments