প্রিমিয়ার লিগের এই সপ্তাহান্তে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আর্সেনাল ১-০ স্কোরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে পরাজিত করে, রিকার্ডো ক্যালাফোরি একমাত্র গোলের দায়িত্ব নেন। ডিক্ল্যান রাইসের কর্নার থেকে ক্যালাফোরি দূরবর্তী পোস্টে মাথা তুলে বলকে জালে পাঠিয়ে দলকে জয় নিশ্চিত করে। ম্যাচটি বেশিরভাগ সময় নিস্তেজ রয়ে গিয়েছিল, তবে শেষের মুহূর্তে গোলের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারিত হয়।
এই ম্যাচটি মৌসুমের প্রথম রাউন্ডের বিপরীত রূপে অনুষ্ঠিত হয়; প্রথম রাউন্ডে আর্সেনাল ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে জয় অর্জন করেছিল এবং সানডারল্যান্ডের শুরুটা উজ্জ্বল ছিল। উভয় দলই এই সপ্তাহান্তে একই স্টেডিয়ামে বিপরীত ফলাফল নিয়ে মুখোমুখি হয়।
আর্সেনালের নতুন মৌসুমের প্রস্তুতি জুলাই মাসে ছয়জন নতুন খেলোয়াড়ের সংযোজনের মাধ্যমে গঠিত হয়, যার মধ্যে ভিক্টর গ্যোকারেস সেন্টার-ফরোয়ার্ডের ফাঁকা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই পরিবর্তনগুলোকে দেখে কোচ মিকেল আর্টেটা দলকে শিরোপা জয়ের জন্য পুনরায় প্রস্তুত বলে মনে করেন। এছাড়া দলটি বেশিরভাগই সুস্থ অবস্থায় রয়েছে, যা আক্রমণ ও রক্ষার উভয় দিকেই সমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
তবে দলের মধ্যে কিছু বিতর্কও দেখা দেয়; থমাস পার্টি নিয়ে অভিযোগের পর আর্টেটা তাকে নতুন চুক্তি প্রস্তাব করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা উত্থাপিত হয়। এই বিষয়টি ক্লাবের অভ্যন্তরে কিছু অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করলেও, মাঠে দলটি তার স্বাভাবিক রূপ বজায় রাখে।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন কোচ রুবেন আমোরিমের প্রথম পূর্ণ সিজনকে উচ্চ প্রত্যাশা করা হয়। গ্রীষ্মে তিনজন আক্রমণকারী—মাথেউস কুনহা, ব্রায়ান এমবেউমো এবং বেঞ্জামিন সেস্কো—দলকে শক্তিশালী করার জন্য সই করা হয়। এই নতুন সংযোজনগুলোকে নিয়ে ভক্তরা দলকে শীর্ষস্থানীয় করার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী ছিলেন।
কিন্তু মিডফিল্ডে কোনো নতুন সংযোজন না হওয়া এবং কোচের কঠোর কৌশলগত পদ্ধতি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগের স্রোত দেখা যায়। মিডফিল্ডের ঘাটতি দলকে সৃষ্টিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ করতে পারে বলে ভয় প্রকাশ করা হয়।
ম্যাচে, ইউনাইটেডের রক্ষা করা গোলের সুযোগ সীমিত ছিল, আর আর্সেনালের আক্রমণাত্মক চাপ ধারাবাহিকভাবে বজায় রাখে। শেষ



