28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনদ্য টুনাইট শো টিকটক ট্রেন্ডে মালালা ইউসফজাইয়ের চমকপ্রদ পারফরম্যান্স

দ্য টুনাইট শো টিকটক ট্রেন্ডে মালালা ইউসফজাইয়ের চমকপ্রদ পারফরম্যান্স

অক্টোবর মাসে টিকটকে সর্বাধিক ভাইরাল চ্যালেঞ্জ ছিল নিকি মিনাজের “Beez in the Trap”। এই ট্রেন্ডে দুইজন ব্যাক‑টু‑ব্যাক দাঁড়িয়ে, একজন ৪ নন ব্লন্ডসের “What’s Up” গাইতে থাকে, আর ক্যামেরা ঘুরার সঙ্গে সঙ্গে অন্যজন মিনাজ‑২ চেইনজের গানের সুরে গাইতে থাকে। হাজার হাজার ব্যবহারকারী এই ফরম্যাটে ভিডিও আপলোড করে, যার মধ্যে সেব্রিনা কার্পেন্টারের মতো পরিচিত শিল্পীরাও অংশ নেয়।

টিকটকের এই প্রবণতা NBC-র “দ্য টুনাইট শো”র সৃষ্টিকর্তাদের নজরে আসে, এবং জিমি ফেলন নিজে স্টেজে “What’s Up” গাইতে শুরুকরে। গানের মাঝখানে হঠাৎ করে মালালা ইউসফজাইকে দেখা যায়, যিনি “Beez in the Trap” গানের সুরে গান গাইছেন। এই সংক্ষিপ্ত ক্লিপটি টিকটকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বর্তমানে ১০৯ মিলিয়ন ভিউ অর্জন করেছে।

এই মুহূর্তটি দ্য টুনাইট শোকে ডিজিটাল যুগে কীভাবে রূপান্তরিত করা যায় তার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়। অতীতে লেট‑নাইট শোগুলোই সংস্কৃতি নির্ধারণ করত, তবে এখন ৪০ বছরের নিচের দর্শকদের জন্য সামাজিক প্ল্যাটফর্মই মূল চালিকাশক্তি। ফেলন নিজেই টিকটক ও ইনস্টাগ্রামের ট্রেন্ডে সক্রিয়, এবং তার দল নিয়মিত নতুন আইডিয়া খুঁজে পেতে এই প্ল্যাটফর্মগুলো স্ক্যান করে।

শোয়ের এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার উল্লেখ করেছেন, ফেলন দিনভর টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম চেক করেন, নতুন কোনো আইডিয়া পেলেই তা নিয়ে আলোচনা হয়। তিনি বলেন, ট্রেন্ডে শুধু হপ না করে, দর্শকের সঙ্গে সংলাপের মতো একটি প্রক্রিয়া চালু থাকে। ডিজিটাল প্রোডিউসার নিক ডায়ারও যোগ করেন যে, “Beez in the Trap” ট্রেন্ডটি তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে অনুসরণ করছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত মালালাকে আমন্ত্রণ জানাতে সিদ্ধান্ত নেন।

মালালার অংশগ্রহণ শোয়ের জন্য বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে, কারণ তিনি আন্তর্জাতিকভাবে মানবাধিকার ও শিক্ষা ক্ষেত্রে সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তার উপস্থিতি এবং গানের পারফরম্যান্স দর্শকদের মধ্যে বিস্ময় ও আনন্দের স্রোত তৈরি করে, যা শোকে সামাজিক মিডিয়ার আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে।

এই ধরনের সহযোগিতা লেট‑নাইট শোকে পুনরায় তরুণ দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করে, এবং ট্রেন্ড‑ভিত্তিক কন্টেন্টকে মূল কাঠামোর অংশ করে তুলেছে। টিকটকের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো শোয়ের রেটিং বাড়াতে এবং অনলাইন শেয়ারিং বাড়াতে সহায়তা করে।

সারসংক্ষেপে, জিমি ফেলন ও তার টিম টিকটকের জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে শোয়ের ফরম্যাটে নতুন দিক যুক্ত করেছে, যেখানে ঐতিহ্যবাহী হাস্যরসের সঙ্গে ডিজিটাল ভাইরালিটি মিশ্রিত হয়েছে। ভবিষ্যতে লেট‑নাইট শোগুলোকে এই ধরনের সামাজিক মিডিয়া ট্রেন্ডের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে হবে, যাতে তারা তরুণ দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখতে পারে।

দ্য টুনাইট শোয়ের এই পদক্ষেপ দেখায় যে, টেলিভিশন ও সামাজিক মিডিয়া একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করতে পারে, এবং সঠিক মুহূর্তে সঠিক ব্যক্তিত্বকে যুক্ত করলে কন্টেন্টের প্রভাব বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – TV
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments