শের-ই-বাংলা ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের চূড়ান্ত ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৬৩ রানের পার্থক্যে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে পরাজিত করে শিরোপা জয়লাভ করে।
রাজশাহীর ব্যাটিং লাইন‑আপ ১৭৪ রান ছয় উইকেটের সঙ্গে স্থিতিশীল স্কোর তৈরি করে, যার মূল চালিকাশক্তি ছিল টানজিদ তামিমের শতক।
টানজিদ ৬২ বলের মধ্যে ১০০ রান তৈরি করে, যা তার তৃতীয় বি.পি.এল শতক এবং বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বাধিক শতক হিসেবে রেকর্ড হয়।
তার আক্রমণাত্মক শটের সঙ্গে দলটি দ্রুত রানের গতি বজায় রাখে, ফলে ১৭৪/৪ স্কোরে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করে।
বোলিংয়ে স্রিলঙ্কার বামহাতি পেসার বিনুরা ফের্নান্দো চমকপ্রদ পারফরম্যান্স দেখিয়ে চার wicket নেয় এবং মাত্র নয় রান ছেড়ে ৪ ওভারে শেষ করে, যা তার ক্যারিয়ারের সেরা টি২০ ফলাফল।
বিনুরার এই পারফরম্যান্স চট্টগ্রামের ব্যাটিংকে দ্রুত ধ্বংস করে, ফলে তারা ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১১১ রান সংগ্রহে সক্ষম হয়।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের ওপেনার মির্জা বায়গ প্রথমে কিছুটা প্রতিরোধ দেখিয়ে ৩৬ বলে ৩৯ রান করেন, তবে তার পরেই দলটি ধারাবাহিকভাবে ভেঙে পড়ে।
অ্যাসিফ আলি ১৬ বলে ২১ রান যোগ করে শেষ মুহূর্তে কিছুটা স্বস্তি দেয়, তবে তা মোট স্কোরে বড় পার্থক্য আনতে পারেনি।
চট্টগ্রামের অন্য কোনো ব্যাটসম্যান উল্লেখযোগ্য স্কোর করতে পারেনি, ফলে দলটি দ্রুতই সব আউট হয়ে যায়।
এই জয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের জন্য দ্বিতীয় শিরোপা নিশ্চিত করে, যা দলকে লিগের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে আসে।
চূড়ান্ত ম্যাচের পর দলটি স্টেডিয়ামে জয়ধ্বনি তুলতে থাকে এবং ভক্তদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে।
বিপিএল সিজনের শেষের এই মুহূর্তে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের জয় দেশের ক্রিকেট উত্সাহীদের জন্য গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।



