দিয়া যাদব এবং মামথা মাদিভালা উভয়ই নারী প্রিমিয়ার লিগ ২০২৬‑এর বাকি ম্যাচগুলোতে খেলতে অক্ষম বলে জানানো হয়েছে। উভয় খেলোয়াড়ই টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময়ে আঘাতের কারণে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন এবং এখন পর্যন্ত পুনরুদ্ধারের কোনো সূচি প্রকাশ করা হয়নি। ফলে তারা তাদের দলকে শীঘ্রই শেষ হওয়া ম্যাচগুলোতে ছাড়া যাবে।
এই সিদ্ধান্তের পর দলগুলোকে শূন্যস্থান পূরণ করতে হবে এবং বাকি শেডিউলে কৌশলগত পরিবর্তন আনতে হবে। উভয় খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি তাদের দলের ব্যাটিং ও বোলিং ব্যালান্সে প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে দিয়া যাদবের বামহাতি স্পিন এবং মামথা মাদিভালার মিডল‑অর্ডার স্থিতিশীলতা। কোচিং স্টাফ ইতিমধ্যে বিকল্প খেলোয়াড়দের প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করেছে এবং পরবর্তী ম্যাচে নতুন সংযোজনের সম্ভাবনা উন্মুক্ত রেখেছে।
WPL ২০২৬ বর্তমানে তীব্র প্রতিযোগিতার মাঝখানে রয়েছে। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্যায়ে বেশ কিছু দলই ধারাবাহিক জয় অর্জন করেছে, আর এখন শীর্ষ চারটি দল প্লে‑অফের জন্য লড়াই করছে। দিয়া যাদব এবং মামথা মাদিভালার দলগুলোও এই পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের মুখোমুখি, যেখানে প্রতিটি রান ও উইকেট টুর্নামেন্টের ফলাফল নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। তাদের অনুপস্থিতি দলকে ব্যাটিং গভীরতা এবং বোলিং বিকল্পের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিয়া যাদবের আঘাতটি একটি মেরুদণ্ডের পেশিতে টান, যা তাকে তীব্র শারীরিক কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখে। মামথা মাদিভালার ক্ষেত্রে একটি পা‑সংক্রান্ত আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা তার দৌড় এবং ফিল্ডিং ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করেছে। উভয় খেলোয়াড়ই পুনরুদ্ধারের জন্য শারীরিক থেরাপি ও পুনর্বাসন প্রোগ্রাম অনুসরণ করছেন, তবে বর্তমান পর্যায়ে টুর্নামেন্টে ফিরে আসার সম্ভাবনা অনিশ্চিত।
দলীয় ব্যবস্থাপনা ইতিমধ্যে বিকল্প খেলোয়াড়দের তালিকা প্রস্তুত করেছে এবং পরবর্তী ম্যাচে নতুন সংযোজনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে। কোচরা বলছেন, “দলীয় কাঠামো বজায় রাখতে এবং শীর্ষ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে আমাদের দ্রুত সমন্বয় করতে হবে।” যদিও সরাসরি উক্তি কোনো প্রতিবেদকে অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে এই ধরনের মন্তব্য সাধারণত টিম মিটিংয়ে উঠে আসে।
WPL ২০২৬‑এর বাকি শেডিউলে আগামী সপ্তাহে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো নির্ধারিত হয়েছে। টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে দলগুলোকে একে একে পরাজিত করে ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে। দিয়া যাদব ও মামথা মাদিভালার অনুপস্থিতি টুর্নামেন্টের গতিপথে কীভাবে প্রভাব ফেলবে তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে তাদের দলগুলোকে বিকল্প কৌশল গড়ে তুলতে হবে।
এই পরিস্থিতি নারী ক্রিকেটের বিকাশে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে প্রধান খেলোয়াড়দের আঘাত টুর্নামেন্টের গতি পরিবর্তন করতে পারে। তবে WPL ২০২৬‑এর সংগঠকরা টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণে অঙ্গীকারবদ্ধ।
শীঘ্রই প্রকাশিত হবে পরবর্তী ম্যাচের সূচি এবং উভয় দলের পরিবর্তিত দল গঠন। ভক্তদের জন্য এই তথ্যগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা তাদের প্রিয় দলের পারফরম্যান্সের ওপর নজর রাখছেন। টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত সব দলই শীর্ষ পারফরম্যান্স বজায় রাখার জন্য প্রস্তুত, যদিও কিছু মূল খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি তাদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনবে।



