28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিট্রাম্প কানাডার বোর্ড অফ পিসে যোগদানের আমন্ত্রণ প্রত্যাহার

ট্রাম্প কানাডার বোর্ড অফ পিসে যোগদানের আমন্ত্রণ প্রত্যাহার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে একটি নোট প্রকাশ করে কানাডার বোর্ড অফ পিসে (Board of Peace) যোগদানের আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। এই পদক্ষেপটি দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার নতুন একটি দিক হিসেবে বিশ্লেষিত হচ্ছে। আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের কারণ ট্রাম্পের পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি, ফলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

ট্রাম্পের পোস্টে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে সরাসরি সম্বোধন করে লেখা হয়েছে, “এই চিঠি বোর্ড অফ পিসের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি কানাডার যোগদানের আমন্ত্রণ প্রত্যাহারকে প্রতিনিধিত্ব করবে”। পোস্টটি ট্রুথ সোশ্যালের মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বব্যাপী মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।

মার্ক কার্নি সম্প্রতি একটি প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক শৃঙ্খলার সম্ভাব্য “ভাঙ্গন” নিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেন এবং কানাডা সরকারও ট্রাম্পের নতুন সংস্থায় অংশগ্রহণের জন্য আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে। এই অবস্থানটি কানাডার সরকারী বিবৃতি অনুযায়ী, বোর্ডের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য কোনো অর্থ প্রদান না করার সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত।

বোর্ড অফ পিস, যা ট্রাম্পের নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক সংঘটন হিসেবে গৃহীত হয়েছে, তার চেয়ারম্যান হিসেবে ট্রাম্পকে বিস্তৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এটি সংঘাত সমাধানের জন্য একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে, যেখানে সদস্য দেশগুলোকে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বজায় রাখার ক্ষেত্রে সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে বলা হবে।

ট্রাম্পের পোস্টে প্রত্যাহারের কারণ স্পষ্ট করা না থাকলেও, কার্নির অফিস থেকে তৎক্ষণাৎ কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কার্নি পূর্বে উল্লেখ করেছিলেন যে, নীতিগত দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই পূর্বের অবস্থানকে বিবেচনা করে, প্রত্যাহারটি দু’পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন মোড় নির্দেশ করতে পারে।

প্রাথমিকভাবে বোর্ড অফ পিসকে গাজার দুই বছরের যুদ্ধের সমাপ্তি এবং পুনর্নির্মাণ তদারকি করার উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছিল। তবে সংস্থার প্রস্তাবিত চার্টারে ফিলিস্তিনীয় ভূখণ্ডের কোনো উল্লেখ না থাকায় এবং এটি জাতিসংঘের কিছু কার্যক্রমের বিকল্প হিসেবে কাজ করার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এই বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক সহায়তা সংস্থার ভূমিকার ওপর প্রশ্ন তুলেছে।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ষাটটি দেশকে বোর্ডে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় পঁয়ত্রিশটি দেশ ইতিমধ্যে স্বাক্ষর করেছে। এই সংখ্যাটি বোর্ডের বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যদিও কিছু দেশ এখনও অংশগ্রহণে দ্বিধাগ্রস্ত।

ইউনাইটেড কিংডমও একই দিনে জানিয়েছে যে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সম্ভাব্য সদস্যপদ নিয়ে উদ্বেগের কারণে তারা এখনো বোর্ডে অংশগ্রহণ করবে না। পুতিনের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মতবিরোধ বোর্ডের ভবিষ্যৎ গঠন ও কার্যকারিতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত এই সংস্থার কার্যক্রম ও সদস্য দেশগুলোর অবস্থান পরবর্তী সময়ে কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments