28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচকবাজার থানা সামনে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলা অভিযোগে প্রতিবাদ, দুইজন গ্রেপ্তার

চকবাজার থানা সামনে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলা অভিযোগে প্রতিবাদ, দুইজন গ্রেপ্তার

ঢাকা-৭ আসনের জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লার ওপর হামলা করার অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাত চাকারবাজার থানার সামনে জামায়াতের নেতা ও কর্মীরা জড়ো হয়ে প্রতিবাদে অংশ নেন। একই সময়ে দুইজন সন্দেহভাজনকে ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয় এবং পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। থানা কর্তৃপক্ষের মতে, ঘটনাটি প্রার্থীর ওপর সরাসরি আক্রমণ নয়, অন্য প্রকারের পরিকল্পনা ছিল।

প্রতিবাদকারীরা থানার সামনে স্লোগান শোনিয়ে দাবি করেন যে, হুমকি ও হামলার চেষ্টা তাদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলেছে। তারা থানা কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অভিযোগ করেন যে, থানার তৎপরতা সন্তোষজনক নয়।

পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার তারেক মাহমুদ জানান, গ্রেপ্তার করা দুইজন ব্যক্তি প্রার্থীর ওপর আক্রমণের পরিকল্পনা নিয়ে আসেনি। তিনি উল্লেখ করেন, সন্দেহভাজনরা অন্য কোনো স্থানে চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে কাজ করছিল।

মাহমুদের মতে, গ্রেপ্তারকৃত দুইজনকে স্থানীয় জনগণ চাকু সহ পুলিশকে হস্তান্তর করেছে। তারা প্রার্থীর ওপর আক্রমণ করার জন্য নয়, বরং একটি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের চেষ্টায় লিপ্ত ছিল।

সন্দেহভাজনদের আচরণ সম্পর্কে আরও তথ্য জানিয়ে বলা হয়, তারা তিনজন ছিলেন; দুইজন নিচু তলায় এবং একজন দশ তলায় একটি দোকানে রেকি করতে গিয়েছিল। দুই দিন ধরে তারা রেকি করছিল, ফলে স্থানীয় লোকজন তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করে। শেষ পর্যন্ত, একজন পালিয়ে যাওয়ার পর বাকি দুইজনকে ধরা পড়ে।

উপ কমিশনার উল্লেখ করেন, জামায়াতের লোকজন তাদের ওপর হামলা করার দাবি করলেও, বাস্তবতা ভিন্ন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, গ্রেপ্তারকৃতদের কাজ চাঁদাবাজি এবং তা প্রার্থীর নিরাপত্তা হুমকি নয়।

জামায়াতের নেতা কর্মীরা থানার তৎপরতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে, থানা কর্মকর্তাদেরকে বিষয়টি পুনরায় তদন্ত করার আহ্বান জানান। তারা দাবি করেন, প্রার্থী ও তার পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত চলমান এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। থানা কর্মকর্তারা জামায়াতের নেতাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন যে, বিষয়টি যথাযথভাবে সমাধান করা হবে।

এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাবও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঢাকা-৭ আসনের নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালীন এ ধরনের ঘটনা উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। জামায়াতের সমর্থকরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, আর সরকারী ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে পারে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, যদি এই ধরনের অভিযোগ যথাযথভাবে সমাধান না হয়, তবে নির্বাচনী পরিবেশে অবিশ্বাসের বায়ু বাড়তে পারে। তাই, থানা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও স্বচ্ছ পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

পরবর্তী সময়ে, জামায়াতের দল সম্ভবত থানা ও স্থানীয় প্রশাসনের সাথে আরও আলোচনা করবে, যাতে প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং নির্বাচনী প্রচারণা স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়া যায়। একই সঙ্গে, পুলিশ গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে।

সামগ্রিকভাবে, ঘটনার মূল বিষয় হল দুইজন সন্দেহভাজনকে ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা এবং তাদের কাজ চাঁদাবাজি হিসেবে চিহ্নিত করা, প্রার্থীর ওপর সরাসরি হামলা নয়। তবে, জামায়াতের নেতাদের প্রতিবাদ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ নির্বাচনী পরিবেশে অতিরিক্ত মনোযোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments