28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধবারন ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের পুলিশকে জানালেন লন্ডনে নারীকে আক্রমণ দেখার কথা

বারন ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের পুলিশকে জানালেন লন্ডনে নারীকে আক্রমণ দেখার কথা

লন্ডনের স্নার্সব্রুক ক্রাউন কোর্টে চলমান মামলায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র বারন ট্রাম্প (১৯) যুক্তরাজ্যের পুলিশকে জানিয়েছেন যে তিনি ভিডিও কলের সময় একটি নারীকে হিংস্রভাবে আক্রমণ হতে দেখেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে কল করে ৯৯৯ নম্বরে দু’জন বন্ধুকে ফোন করাতে বলেছিলেন, যাতে জানুয়ারি ২০২৫-এ ঘটতে পারে এমন ঘটনাটি রেকর্ড করা যায়।

ম্যাটভি রুমিয়ান্টসেভ (২২), যাকে আক্রমণ ও দুইটি ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে, স্নার্সব্রুক ক্রাউন কোর্টে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের মধ্যে শারীরিক আঘাত, ইচ্ছাকৃত গলা চেপে ধরা এবং ন্যায়বিচারকে বিকৃত করার অভিযোগও রয়েছে। রুমিয়ান্টসেভ সব অভিযোগ অস্বীকার করে এবং তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

কোর্টের রেকর্ডে দেখা যায়, ট্রাম্প ১৮ জানুয়ারি ২০২৫-এ অপরিচিত এক নারীর সঙ্গে ভিডিও কলের সময় তাকে আক্রমণরত অবস্থায় দেখেন। কল শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি যুক্তরাজ্যের মেট পুলিশকে ফোন করে জানিয়েছেন যে নারীটি হিংস্রভাবে আঘাত পাচ্ছেন। কলের ট্রান্সক্রিপ্টে তিনি বলেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্র থেকে কল করছি, আমি একটি মেয়ের কল পেয়েছি, সে আক্রমণ পাচ্ছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ঘটনাটি প্রায় আট মিনিট আগে ঘটেছে এবং তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি সেবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

অভিযোজনকারী অপারেটর ট্রাম্পকে বিস্তারিত তথ্য দিতে বললেও, তিনি বলেন যে তিনি নারীর সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে পরিচিত এবং তার পরিচয় সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেওয়া প্রয়োজন নেই। অপারেটর তার উত্তরে জোর দিয়ে বলেন যে প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে।

পরবর্তীতে ট্রাম্পকে পুলিশ একটি সাক্ষ্য প্রদান করতে বলা হয়। ২ মে তারিখে তিনি ইমেইলে জানিয়েছেন যে তিনি যা দেখেছেন তা খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে ঘটেছে, তবে তা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে কলের সময় তিনি এক শার্টবিহীন, গাঢ় চুলের একজন পুরুষকে দেখেছেন, যিনি নারীর দিকে আঘাত করছেন। তিনি বলেন, “এই দৃশ্যটি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ের জন্য দেখা গিয়েছিল, তবে পরে নারীর কান্না ও আঘাতের দৃশ্য দেখা গিয়েছিল।” পুরো ঘটনাটি মোটামুটি পাঁচ থেকে সাত সেকেন্ডের মধ্যে শেষ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্রাম্প জানান, তিনি দুইজন বন্ধুকে যুক্তরাজ্যের মেট পুলিশে কল করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন, যদিও তারা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিল। এই কলের মাধ্যমে তিনি ঘটনাটির প্রাথমিক রিপোর্ট প্রদান করেন।

মামলাটির পরবর্তী পর্যায়ে রুমিয়ান্টসেভের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিশদ বিবরণ এবং সাক্ষ্যগুলো আদালতে উপস্থাপন করা হবে। আদালত এখন পর্যন্ত কোনো রায় দেয়নি, তবে রুমিয়ান্টসেভের অস্বীকারের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রমাণের পর্যালোচনা চলবে।

এই মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক আইনি সহযোগিতার ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাজ্যের আইন অনুসারে, বিদেশি নাগরিকের সাক্ষ্য বা তথ্য প্রদান প্রয়োজনীয় হলে তা যথাযথভাবে নথিভুক্ত করা হয় এবং আদালতে বিবেচনা করা হয়।

সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং ট্রাম্প পরিবারের সদস্যের যুক্তরাজ্যের অপরাধমূলক মামলায় অংশগ্রহণের ফলে আইনি প্রক্রিয়ার জটিলতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছে। ভবিষ্যতে আদালত কী রায় দেবে তা এখনও অনিশ্চিত, তবে মামলার অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাক্ষ্য শোনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments