28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিআয়ারল্যান্ডে নতুন আইন প্রস্তাব, পুলিশকে স্পাইওয়্যার ব্যবহারের অনুমতি

আয়ারল্যান্ডে নতুন আইন প্রস্তাব, পুলিশকে স্পাইওয়্যার ব্যবহারের অনুমতি

আয়ারল্যান্ড সরকার এই সপ্তাহে আইনসভার সামনে একটি নতুন বিল উপস্থাপন করেছে, যার মাধ্যমে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে স্পাইওয়্যারসহ বিভিন্ন নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে সংঘটিত গুরুতর অপরাধ ও নিরাপত্তা হুমকির মোকাবিলা করা।

প্রস্তাবিত আইনটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘কমিউনিকেশনস (ইন্টারসেপশন অ্যান্ড লফুল এক্সেস) বিল’, যা বৈধ ইন্টারসেপশনের নিয়মাবলী নির্ধারণের উদ্দেশ্যে তৈরি।

আইন মন্ত্রীর জিম ও’ক্যালগান, যিনি ন্যায়বিচার, গৃহ বিষয় ও অভিবাসন দায়িত্বে আছেন, উল্লেখ করেছেন যে বর্তমান আইনি কাঠামো অপর্যাপ্ত এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিগত পরিবেশে নতুন বিধান প্রয়োজন। তিনি বলেন, নতুন বিধানটি প্রয়োগের সময় কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে, যাতে ক্ষমতার ব্যবহার প্রয়োজনীয় ও সমানুপাতিক হয়।

বর্তমান আইনি ব্যবস্থা ১৯৯৩ সালের, যা ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়ের যোগাযোগ পদ্ধতির জন্য তৈরি হয়েছিল। সেই সময়ের আইন আধুনিক এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড অ্যাপ্লিকেশন, যেমন মেসেজিং ও ভয়েস কলের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অক্ষম।

এনক্রিপ্টেড বার্তা ও কলের বিষয়বস্তুতে প্রবেশের একমাত্র উপায় হল লক্ষ্যবস্তু ডিভাইসকে হ্যাক করা, হয় দূর থেকে সরকারী মানের স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে, অথবা স্থানীয়ভাবে সেলেব্রাইটের মতো ফরেনসিক টুল দিয়ে ডেটা বের করা।

বিলের মধ্যে উল্লেখিত স্পাইওয়্যার সরবরাহকারী হিসেবে ইন্টেলেক্সা, এনএসও গ্রুপ এবং পারাগন সল্যুশনসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই কোম্পানিগুলো আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন সরকারী নজরদারি প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে।

নতুন বিধানটি সকল ধরণের যোগাযোগকে অন্তর্ভুক্ত করবে, তা এনক্রিপ্টেড হোক বা না হোক। এর মাধ্যমে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে কেবল বার্তার বিষয়বস্তু নয়, সংশ্লিষ্ট মেটাডেটা সংগ্রহের অনুমতি থাকবে।

সরকার স্পষ্ট করে বলেছে যে এই ক্ষমতাগুলো ব্যবহার করার সময় গোপনীয়তা, এনক্রিপশন ও ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখা হবে।

বিলের অধীনে কোনো নজরদারি কার্যক্রম শুরু করার আগে আদালতের অনুমোদন নিতে হবে, এবং ব্যবহারিক প্রয়োজনীয়তা ও সমানুপাতিকতার মানদণ্ড মেনে চলা বাধ্যতামূলক হবে।

এই আইন প্রস্তাবের মাধ্যমে আয়ারল্যান্ডের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণের সুযোগ প্রদান করা হবে, যা পূর্বে সীমাবদ্ধ ছিল।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, নতুন বিধানটি দেশের সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় আয়ারল্যান্ডের অবস্থান উন্নত করবে। তবে একই সঙ্গে গোপনীয়তা সংরক্ষণে যথাযথ তদারকি প্রয়োজনীয়তা থাকবে।

বিলটি এখন সংসদে আলোচনার জন্য উপস্থাপিত হয়েছে; পরবর্তী ধাপে পার্লামেন্টের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকি ব্যবস্থা গঠন করা হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: TechCrunch
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments