28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিযুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তি পুনর্বিবেচনা করবে

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তি পুনর্বিবেচনা করবে

যুক্তরাষ্ট্র এবং ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তি পুনরায় আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপটি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ন্যাটো চেয়ারম্যান মার্ক রুটের সাম্প্রতিক ডাভোস বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ফোরামের আলোচনার পর প্রকাশ পেয়েছে।

১৯৫১ সালে স্বাক্ষরিত মূল চুক্তি ২০০৪ সালে আপডেট করা হয়, যার মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের কর্তৃপক্ষকে পূর্বে জানিয়ে সৈন্যবাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর অনুমতি দেয়া হয়। এই ধারাটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সহযোগিতার ভিত্তি গঠন করেছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে একমাত্র পিটুফিক স্পেস বেস পরিচালনা করছে, যা দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এবং মার্কিন মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ঘাঁটি কক্ষীয় পর্যবেক্ষণ ও রকেট ট্র্যাকিং কাজে ব্যবহৃত হয়।

ডেভোসে ট্রাম্প রুটের সঙ্গে বৈঠকের পর একটি কাঠামোগত চুক্তি ঘোষণা করেন, তবে নতুন চুক্তির নির্দিষ্ট শর্তাবলী এখনও স্পষ্ট নয়। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে কীভাবে সহযোগিতা বাড়ানো হবে তা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে।

রুট উল্লেখ করেন যে আলোচনার একটি মূল দিক হল চীনা ও রাশিয়ান শক্তির গ্রিনল্যান্ডের অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রের প্রবেশ রোধ করা। তিনি এটিকে আর্কটিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোও আর্কটিক অঞ্চলে নিরাপত্তা শক্তিশালী করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি সম্পূর্ণভাবে আমেরিকান সার্বভৌমত্বে স্থানান্তর করার কোনো আলোচনা হয়নি। এই বিষয়টি দু’দেশের মধ্যে সংবেদনশীল বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের ইচ্ছা পূর্বে ট্রান্সআটলান্টিক জোটে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল এবং ন্যাটোকে কয়েক দশকের সবচেয়ে বড় সংকটে ফেলেছিল। এই ঘটনা উভয় পক্ষের মধ্যে বিশ্বাসের ফাটল বাড়িয়ে দিয়েছে।

কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ ন্যাটোকে আর্কটিক মিশন চালু করার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে অঞ্চলের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা যায়। তারা ট্রাম্পের যুক্তি ব্যবহার করে আর্কটিকের গুরুত্ব পুনরায় জোরদার করতে চায়।

পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলে চুক্তির শর্তাবলীতে কী পরিবর্তন আসবে তা নির্ধারিত হবে, যা ন্যাটো ও আর্কটিকের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলবে। উভয় দেশই এই আলোচনাকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments