19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিঝালকাঠি-১ আসনে ফয়জুল হকের মন্তব্যে জামায়াতের ভোটে ২ কোটি বৃদ্ধির দাবি

ঝালকাঠি-১ আসনে ফয়জুল হকের মন্তব্যে জামায়াতের ভোটে ২ কোটি বৃদ্ধির দাবি

ঝালকাঠি-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফয়জুল হক ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কাঁঠালিয়া উপজেলার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম-মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতুর স্বাগত অনুষ্ঠানে তার সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হক সামাজিক মিডিয়ার দ্রুত বিস্তার নিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করে বলেন, ফেসবুকে পোস্ট করা কোনো কথা দ্রুত ভাইরাল হতে পারে এবং তা রাজনৈতিক গতি পরিবর্তন করতে সক্ষম।

তিনি দাবি করেন, তার একদিনের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের পর থেকে জামায়াতের ভোটের সম্ভাবনা দুই কোটি বাড়েছে। এই সংখ্যা তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ ও সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া থেকে অনুমান করেছেন।

হক উল্লেখ করেন, চা দোকানে কর্মীদের দাওয়াতি কাজের সময় তিনি যে মন্তব্য করেন, তা কিছু লোক ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে। তিনি বলেন, কর্মীরা চা পান করার সময়ও দাওয়াতের কাজ চালিয়ে যাবে, এমনকি যারা বিড়ি (বেতেল) খায় তাদেরও দাওয়াত পৌঁছাবে।

এই প্রসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিড়ি খাওয়া মানুষ ভোট না দেওয়ার কোনো বাধা নেই; তাদের ভোটই জামায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাড়ি না থাকা মানুষদের ভোটের সম্ভাবনা নিয়ে কোনো আপত্তি দেখাননি।

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে হক বলেন, মানুষের ভুল অভ্যাস পরিবর্তনের ক্ষমতা আল্লাহর হাতে, এবং আল্লাহ চাইলে কোনো ব্যক্তিকে ভুল পথে থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন। তিনি জান্নাত ও জাহান্নামকে মানুষের সংশোধনের জন্য তৈরি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

ভাইরাল হওয়াকে হক নেতিবাচক নয়, বরং রাজনৈতিক শক্তি মার্কেটিং হিসেবে দেখেন। তিনি বলেন, এই ভাইরাল বিষয়বস্তু তার জন্য দুই কোটি টাকার সমান মার্কেটিং মূল্য তৈরি করেছে।

দুই মিনিটের তার বক্তব্য দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, যা তিনি আল্লাহর দান হিসেবে বর্ণনা করেন। হক এই প্রচারকে নিজের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করছেন।

নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশ্নে হক আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, কাঁঠালিয়া ও রাজাপুরে ঘুরে মানুষের আগ্রহ দেখেছেন এবং ভোটাররা পরিবর্তন চাইছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভোটাররা এখন দাড়িপাল্লা দেখতে চায় এবং বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না।

বিপক্ষের কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিরোধী দল হকের এই মন্তব্যকে বিতর্কিত বলে সমালোচনা করেছে, বিশেষ করে বিড়ি খাওয়া মানুষকে ভোটের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তারা উল্লেখ করেন, এমন রেটোরিক্স সামাজিক বিভাজন বাড়াতে পারে।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, হকের এই বক্তব্যের ভাইরাল প্রভাব আগামী নির্বাচনে জামায়াতের প্রচার কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে, তবে একই সঙ্গে ভোটারদের মধ্যে মতবৈচিত্র্য বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রকাশনা কীভাবে ভোটের গতিপথকে প্রভাবিত করবে তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments