28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইউকে ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডে সই না করার সিদ্ধান্ত জানাল

ইউকে ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডে সই না করার সিদ্ধান্ত জানাল

ইউকে বিদেশী মন্ত্রী ইভেট কোপার ডাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানালেন, যুক্তরাজ্য ট্রাম্পের প্রস্তাবিত “শান্তি বোর্ড”ে আজ সই করবে না। আমন্ত্রণ পেয়ে থাকা সত্ত্বেও, তিনি উল্লেখ করেন যে এই চুক্তি আজকের সইয়ের জন্য উপযুক্ত নয়।

শান্তি বোর্ডটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত, যার মূল লক্ষ্য গাজা অঞ্চলের ইসরায়েল-হামাস সংঘাত সমাপ্তি করা। তবে চুক্তিপত্রে ফিলিস্তিনীয় ভূখণ্ডের উল্লেখ নেই এবং এটি জাতিসংঘের কিছু কার্যক্রমের বিকল্প হিসেবে কাজ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ইউকে-কে এই উদ্যোগে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তবে কোপার স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাজ্য আজকের অনুষ্ঠানে স্বাক্ষরকারী হবে না। তিনি যুক্তি দেন, এই চুক্তি একটি আইনি চুক্তি, যা প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির বাইরে বিস্তৃত বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে।

ট্রাম্পের ২০‑পয়েন্টের পরিকল্পনা গাজা যুদ্ধের সমাপ্তি এবং অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগী। কোপার উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্য এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করে এবং গাজা শান্তি প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় পর্যায়ে নিজস্ব ভূমিকা রাখতে ইচ্ছুক।

তবে, যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তের পেছনে রাশিয়া ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ডাভোসে ট্রাম্পের বক্তব্যে পুতিনকে বোর্ডে যোগদানের জন্য স্বাগত জানানো হয়েছে, তবে পুতিনের পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

পুতিন পূর্বে বলেছিলেন, রাশিয়া এখনও এই আমন্ত্রণটি পর্যালোচনা করছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া বাকি। কোপার এই বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, পুতিনের শান্তি উদ্যোগে অংশগ্রহণের ইচ্ছা স্পষ্ট নয়, বিশেষ করে ইউক্রেনের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে।

কোপার জোর দিয়ে বলেন, পুতিনের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না থাকায়, ইউকে শান্তি বোর্ডে স্বাক্ষর না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি যুক্তি দেন, পুতিনের বর্তমান অবস্থানকে বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখনই চাপ বাড়াতে হবে।

ইউকে এই মুহূর্তে অন্যান্য মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আন্তর্জাতিক আলোচনায় অংশ নিতে ইচ্ছুক। কোপার উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্য ভবিষ্যতে সহযোগিতার সুযোগ অনুসন্ধান করবে এবং শান্তি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিশ্চিত করতে কাজ চালিয়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে টানাপোড়েনের মুখে। ট্রাম্পের ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্ককে অস্থির করে তুলেছে।

এই প্রেক্ষাপটে, ইউকে ট্রাম্পের শান্তি উদ্যোগে অংশ না নেওয়ার মাধ্যমে তার স্বতন্ত্র নীতি ও নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা করতে চায়। কোপার উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে যদি চুক্তির বিষয়বস্তু ও অংশগ্রহণকারীদের প্রোফাইল স্পষ্ট হয়, তবে যুক্তরাজ্য পুনর্বিবেচনা করতে পারে।

অবশেষে, কোপার বললেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে, ইউকে গাজা শান্তি প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলোতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে এবং রাশিয়ার শান্তি ইচ্ছার ওপর নজর রাখবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments