আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১ (আইসিসি‑১)‑এ বুধবার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান, যিনি যুদ্ধাপরাধে ফাঁসি হওয়া জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর পুত্র, র্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম এবং নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে সাক্ষ্য দিলেন। আরমানের বক্তব্যে তিনি জানান, তার বাবা যুদ্ধাপরাধ মামলায় আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর র্যাবের টিএফআই সেলে বহু বছর গুম রাখা হয়েছিল।
সাক্ষ্যদানকারী আরমানের পেশাগত পটভূমি উল্লেখযোগ্য; তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী এবং আওয়ামী লীগ শাসনের সময় তার বাবার যুদ্ধাপরাধ মামলায় আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন। একই শাসনকালে তাকে র্যাবের টিএফআই সেলে গুম রাখা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বিচারকগণ তিনজনের বেঞ্চে আরমানের সাক্ষ্য শোনা হয়। বেঞ্চের প্রধান ছিলেন চেয়ারম্যান মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, অন্য দুইজন ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। আদালতে আরমানের বক্তব্যের ভিত্তিতে র্যাবের গুম‑নির্যাতন মামলায় প্রমাণের পরিধি বিস্তৃত হয়েছে।
এই গুম‑নির্যাতন মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১‑এ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চলমান। বর্তমানে শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শীঘ্রই শী



