27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকুষ্টিয়ার যুগিয়া বালুমহালে গুলি চালানো, একজন গুলিবিদ্ধ ও দুইজন আহত

কুষ্টিয়ার যুগিয়া বালুমহালে গুলি চালানো, একজন গুলিবিদ্ধ ও দুইজন আহত

কুষ্টিয়া জেলার রামকৃষ্ণপুর মৌজার যুগিয়া বালুমহালে গত রাত ৩টার দিকে গুলি চালানো হয়, ফলে একজন গুলিবিদ্ধ এবং দুইজন আহত হয়েছে; ঘটনাটি স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটেছে।

বালুমহালের স্যান্ড এক্সট্র্যাকশন কাজের জন্য টেন্ডার ঘোষিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে “বসির এন্টারপ্রাইজ” নামের ঠিকাদারকে কাজের বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে ঐ এলাকার প্রভাবশালী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন থেকে বালু উত্তোলনের বিরোধিতা করে আসছে এবং এই বিরোধই গুলির পেছনের মূল কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলার রাত্রি প্রায় ৩ টার দিকে, সংগঠিত অস্ত্রধারী দল বালুমহালে প্রবেশ করে এবং ফাঁকা গুলি ছোড়ার মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সূত্র অনুযায়ী, গুলির সংখ্যা প্রায় দশ থেকে পনেরো রাউন্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যা মূলত ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

গুলির ফলে একটি ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয় এবং অন্য দুইজনের শারীরিক আঘাত হয়। গুলিবিদ্ধের পাশাপাশি, এক ব্যক্তি হাতে আঘাত পেয়ে হাতের অংশবিশেষ কেটে নেওয়া হয়; এই তথ্য পুলিশ নিশ্চিত করেছে। আহতদের মধ্যে একজনের গুলির ক্ষত নিশ্চিত হলেও, অন্য দুজনের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি মো. কবির হোসেন মাতুব্বর ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর গুলির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গুলির পরপরই পুলিশ现场ে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে, তবে গুলি চালানো দল দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তৎক্ষণাত কোনো গ্রেফতার হয়নি।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গুলির পরে শটগানের দুটো ব্যবহার না করা রাউন্ড এবং দুটি গুলির খোসা现场ে উদ্ধার করা হয়েছে। এই প্রমাণগুলো গুলির প্রকৃতি ও ব্যবহৃত অস্ত্র সম্পর্কে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পুলিশের মতে, গুলির পরপরই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক তদন্ত চালু করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের অধীনে গুলি চালানো দলকে চিহ্নিত করার পাশাপাশি, গুলিবিদ্ধ ও আহতদের চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আহতদের অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, বিভিন্ন হাসপাতালে তাদের সন্ধান নেওয়া হলেও কোনো রোগীর তালিকায় তাদের নাম পাওয়া যায়নি। সূত্র সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে, আহতরা গ্রেপ্তার এড়াতে গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, গুলি চালানো অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অস্ত্র অপরাধ, গুলিবিদ্ধের ওপর আঘাত এবং হিংসাত্মক অপরাধের অভিযোগ আনা হতে পারে। তদন্ত চলাকালীন প্রমাণের ভিত্তিতে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার পর থেকে কুষ্টিয়া মডেল থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি, যা তদন্তের গতি ও প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে পুলিশ উল্লেখ করেছে, ভবিষ্যতে অভিযোগ দাখিলের মাধ্যমে মামলাটি আরও সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

স্থানীয় গোষ্ঠীর বালু উত্তোলন বিরোধের পটভূমি এবং গুলির সময়সূচি বিবেচনা করে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ত্বরান্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছে।

অধিক তদন্তের পর গুলি চালানো দলকে চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে এবং ঘটনাস্থলে উদ্ধার করা প্রমাণের ভিত্তিতে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments