28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতি৯ম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ১০৬,০০০ কোটি টাকা প্রয়োজন

৯ম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ১০৬,০০০ কোটি টাকা প্রয়োজন

জাতীয় বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান আজ জাতীয় উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের সামনে রিপোর্ট জমা দিয়ে জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করতে অতিরিক্ত ১০৬,০০০ কোটি টাকা ব্যয় প্রয়োজন।

চেয়ারম্যানের এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে কমিশনের ২৩ সদস্যের দল রাষ্ট্র অতিথি গৃহ জামুনায় রিপোর্ট উপস্থাপন করেন।

বর্তমানে সরকার ১৪ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লক্ষ পেনশনভোগীর জন্য মোট ১৩১,০০০ কোটি টাকা ব্যয় করে চলেছে।

প্রতিবেদনটি ২০টি গ্রেডের বেতন কাঠামো প্রস্তাব করে, যেখানে ন্যূনতম বেতন স্কেলকে ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করা হয়েছে।

সর্বোচ্চ বেতন স্কেলও ৭৮,০০০ টাকা থেকে ১,৬০,০০০ টাকায় বৃদ্ধি পাবে বলে কমিশন সুপারিশ করেছে।

বিতরণে উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহুদ্দিন আহমেদ, চিফ অ্যাডভাইজারের বিশেষ সহকারী অনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার এবং কমিশনের পূর্ণকালীন ও অর্ধকালীন সকল সদস্য।

সরকার ২৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে ২৩ সদস্যের নয়ম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে, রিপোর্ট জমা দেওয়ার ছয় মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করে।

এই কমিশন গঠনের আগে ২০১৩ সালে শেষ হওয়া অষ্টম বেতন কমিশনের পর ১২ বছর অতিবাহিত হয়েছে।

রিপোর্টের নির্ধারিত জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

কমিশন তার বরাদ্দ বাজেটের মাত্র ১৮ শতাংশ ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করেছে।

রিপোর্ট গ্রহণের পর চিফ অ্যাডভাইজার সন্তোষ প্রকাশ করে, কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই কাজটি বিশাল এবং জনগণ বহুদিনের অপেক্ষা করে আসছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রস্তাবিত কাঠামোটি সৃজনশীল কাজের ফল এবং দেশের আর্থিক নীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান অতিরিক্তভাবে জানান, গত দশকে বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক সূচকগুলোতে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে।

মূল্যস্ফীতি এবং প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বহু গুণ বাড়ার ফলে সময়মত বেতন সমন্বয় না হলে সরকারি কর্মচারীরা জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে।

বিপক্ষের কিছু রাজনৈতিক দল এই অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং বাজেটের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বিকল্প উপায়ের প্রস্তাব দিয়েছে।

এদিকে সরকারকে এখন এই অতিরিক্ত ১০৬,০০০ কোটি টাকার অর্থায়ন কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নির্ধারণের দায়িত্বে রাখা হয়েছে।

বেতন কাঠামোর পরিবর্তন বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক পরিকল্পনা, বাজেট পুনর্বিন্যাস এবং সম্ভাব্য রাজস্ব বৃদ্ধি কৌশল নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে বলে আশা করা যায়।

প্রস্তাবিত বেতন বৃদ্ধি ও কাঠামো সরকারী কর্মচারী ও পেনশনভোগীর মঙ্গলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে এর বাস্তবায়ন আর্থিক সক্ষমতা ও রাজনৈতিক সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল থাকবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments