সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সোমবার অনুষ্ঠিত বাঙ্গালাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ম্যাচে রংপুর রাইডার্স ৫ উইকেটের পার্থক্যে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে। চট্টগ্রাম টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ১৬৯ রান তৈরি করে, তবে রাইডার্স ৭ বল বাকি রেখে লক্ষ্য অর্জন করে জয়লাভ করে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রাম প্রথম ওভারে মোহাম্মদ নাঈম শেখের তিনটি বাউন্ডারিতে শুরু করলেও, শীঘ্রই কাইল মেয়ার্সের পায়ে টান লাগার কারণে তিনি মাঠ ছেড়ে যান। বদলি বোলার রকিবুল হাসান প্রথম বলেই চার দিয়ে শুরুর চাপ বাড়িয়ে দেন, তবে নাঈমের স্কোর দ্রুত থেমে যায়। চতুর্থ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান নাঈমকে আউট করে, ফলে শুরুর শটের পরই চট্টগ্রামের স্কোর ধীর হয়ে যায়।
মুস্তাফিজুরের ১৬ রানে শেষ হওয়া আউটের পর, পূর্বে শতরানার জুটি গড়ে তোলার জন্য পরিচিত ওপেনার জুটি মাত্র ২২ রানে থেমে যায়। মাঝখানে মাহমুদুল হাসান তিনটি চার মারার মাধ্যমে কিছুটা রিফ্রেশমেন্ট যোগ করেন, তবে রাইডার্সের শিকড় গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট না।
রাইডার্সের ব্যাটিংয়ে ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন তৃতীয় ধারাবাহিক ফিফটি করে ৩৩ বলে ৫৮ রান করেন। রসিংটনের আক্রমণাত্মক শটের মধ্যে রকিবুলের ওপর দুটি চার এবং এক ছক্কা অন্তর্ভুক্ত, যা তাকে দ্রুত স্কোরে পৌঁছাতে সাহায্য করে। রসিংটন ও রকিবুলের জুটি ৬১ রানে ৮২ রান যোগায়, যা রাইডার্সকে লক্ষ্য থেকে দূরে নিয়ে যায়।
কাইল মেয়ার্স প্রথমে পায়ে টান লাগার কারণে মাঠ ছেড়ে যাওয়ার পর পুনরায় ফিরে বোলিং করতে না পারলেও, ব্যাটিংয়ে ফিরে ২৫ বলে ৫০ রানের দ্রুত ইনিংস খেলেন। তার এই আক্রমণাত্মক পারফরম্যান্স রাইডার্সের চূড়ান্ত দৌড়ে বড় ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে মাহমুদুল হাসান অপরাজিত থেকে ১৯ বলে ৩০ রান যোগ করেন, যা রাইডার্সকে লক্ষ্য অর্জনের পথে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়।
রাইডার্সের শেষ পর্যায়ে নাওয়াজের আউটের আগে তিনি দুটি চার এবং তিনটি ছক্কা মারার মাধ্যমে ৩৮ বলে ৪৬ রান করেন। যদিও আসিফ আলি শেষের মুহূর্তে এক রান যোগাতে পারেননি, তবু রাইডার্সের মোট স্কোর চট্টগ্রামের ১৬৯ রানকে ছাড়িয়ে ৭ বল বাকি রেখে জয় নিশ্চিত করে।
এই জয়ের ফলে রংপুর রাইডার্স টেবিলে শীর্ষে উঠে, চট্টগ্রাম রয়্যালসকে পিছিয়ে রাখে। পরবর্তী ম্যাচে রাইডার্সের পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী নির্ধারিত হয়েছে, যা বিপিএল শিডিউলে উল্লেখ রয়েছে।



