27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিহেফাজত প্রধান মোহিবুল্লাহ বাবুনগরী ইসলামি আন্দোলনের জামায়াত বিচ্ছিন্নতা প্রশংসা

হেফাজত প্রধান মোহিবুল্লাহ বাবুনগরী ইসলামি আন্দোলনের জামায়াত বিচ্ছিন্নতা প্রশংসা

হেফাজত‑ইসলাম নেতা মোহিবুল্লাহ বাবুনগরী ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ (ইএ) এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিমকে জামায়াত‑ই‑ইসলামির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন। এই মন্তব্যটি আসন্ন নির্বাচনের পূর্বে প্রকাশিত হয় এবং ইএ‑এর স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পথ গ্রহণকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

বাবুনগরী উল্লেখ করেন যে, জামায়াত‑ই‑ইসলামির সঙ্গে সংযোগ ছিন্ন করা সময়োপযোগী এবং সাহসিকতার কাজ, যা সুন্নি ধর্মবিশ্বাস রক্ষার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। তিনি জামায়াত‑কে ‘মৌদুদি-অনুপ্রাণিত মতবাদ’ হিসেবে চিহ্নিত করে, এই সংযোগের অবসানকে ইসলামী শক্তির স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

হেফাজত‑ইসলাম গত বছর ৫ আগস্ট থেকে ইসলামী শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার জন্য কাজ চালিয়ে আসছে। তারা এমন পণ্ডিতদের নেতৃত্বে কাজ করছে, যাদের মতে সঠিক ইসলামী বিশ্বাস (আকিদা) অনুসরণ করা জরুরি, এবং ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোকে জামায়াত‑ই‑ইসলামির সঙ্গে জোট গড়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।

বাবুনগরী ইএ‑কে বিশেষ অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মৌদুদি‑মুখী জামায়াতের প্রভাব থেকে মুক্তি পেয়ে স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়া সত্যিকারের ইসলামী রাজনীতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ইসলামী রাজনীতির জন্য আরও ইতিবাচক দিক তৈরি করবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি ইএ জামায়াত‑ই‑ইসলামির সঙ্গে সংযুক্ত থাকত, তবে তা ইসলামী রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য বড় ক্ষতি বয়ে আনতে পারত। তাই ইএ‑এর এই বিচ্ছিন্নতা সম্ভাব্য ঝুঁকি দূর করার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হেফাজত‑ইসলাম স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, আসন্ন নির্বাচনে তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থন করবে না। তবে তারা ভোটারদেরকে এমন দল বেছে নিতে উৎসাহিত করছেন, যারা ‘শুদ্ধ ইসলামী মূল্যবোধ’কে প্রতিনিধিত্ব করে বলে তারা মনে করেন।

বাবুনগরী ভোটারদেরকে আহ্বান জানান, যারা ‘মৌদুদিজম’ এবং ‘ভ্রান্ত বিশ্বাস’কে ইসলামের নামে প্রচার করে, তাদের থেকে দূরে থাকতে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামী রাজনীতির স্বচ্ছতা ও সত্যতা বজায় রাখতে এই ধরনের দলগুলোর সমর্থন না করা জরুরি।

জামায়াত‑ই‑ইসলামি ও ইসলামি আন্দোলন থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উভয় সংগঠনই রাজনৈতিক মঞ্চে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে পারে, বিশেষ করে ভোটারদের মনোভাবের পরিবর্তনকে লক্ষ্য করে।

বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন, ইএ‑এর এই স্বতন্ত্র পদক্ষেপ নির্বাচনী কৌশলে নতুন গতিপথ তৈরি করতে পারে, যা অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর জন্যও রেফারেন্স পয়েন্ট হতে পারে। হেফাজত‑ইসলামের এই সমর্থন এবং ভোটারদের প্রতি আহ্বান দেশের ইসলামী রাজনীতির ভবিষ্যৎ গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments