22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিভারতীয় কূটনৈতিক কর্মীদের পরিবার বাংলাদেশে প্রত্যাহার

ভারতীয় কূটনৈতিক কর্মীদের পরিবার বাংলাদেশে প্রত্যাহার

দিল্লি থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারত সরকার তার উচ্চকমিশন ও অন্যান্য কূটনৈতিক মিশন থেকে সব কর্মী ও তাদের নির্ভরশীলদের বাংলাদেশে ফিরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি ফেব্রুয়ারি ১২ তারিখে নির্ধারিত নির্বাচনের আগে নেওয়া হয়েছে, যেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রধান উদ্বেগের বিষয়।

সরকারি সূত্রের মতে, নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার কারণে কূটনৈতিক কর্মীদের পরিবারকে তৎক্ষণাৎ ভারতে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে ভারতীয় কূটনীতিকরা জানিয়েছেন যে, ঢাকা উচ্চকমিশন ও দেশের অন্যান্য মিশন সম্পূর্ণ কর্মশক্তি নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবে।

দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক ২০২৪ সালের বিশাল প্রতিবাদে তীব্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যখন শীর্ষমুখী প্রতিবাদে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার পতিত হয়। তিনি দীর্ঘকালীন মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তবে তার পতনের পর দু’দেশের মধ্যে অবিশ্বাসের স্রোত বেড়েছে।

বাংলাদেশে ভারতীয় মিশনের নিরাপত্তা হুমকি বিশেষত ১২ ডিসেম্বরের একটি গুলিবিদ্ধ ঘটনার পর বাড়ে। ঐ দিন যুব নেতা শারিফ ওসমান হাদি গুলি চালিত হয়ে নিহত হন, যা উভয় দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

শুটিংয়ের পর হাদির আক্রমণকারীরা ভারতীয় সীমান্তে পা রাখার অভিযোগ উঠে, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। এই অভিযোগের ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা এবং কূটনৈতিক কর্মীদের পরিবারকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়।

১৭ ডিসেম্বর, জুলাই একতা মঞ্চ নামক ছাত্র সংগঠন ভারতীয় উচ্চকমিশনের সামনে একটি প্রতিবাদী মার্চের আহ্বান জানায়। এই প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারীরা উচ্চকমিশনের কাছে পৌঁছানোর আগে নিরাপত্তা বাহিনীর হস্তক্ষেপে থেমে যায়।

প্রতিবাদে উত্তেজনা বাড়ার পর ভারতীয় দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশে উচ্চকমিশনারকে ডেকে তার সঙ্গে আলোচনা করে। এই আলোচনায় নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং কূটনৈতিক কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

ভারত সরকার বাংলাদেশি অস্থায়ী সরকারের কাছে স্পষ্ট করে জানায় যে, দেশের মিশন ও পোস্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্বের অংশ। এই স্মরণীয় বার্তাটি দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান হিসেবে বিবেচিত হয়।

নির্বাচনের আগে এই পদক্ষেপটি দু’দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে কূটনৈতিক কার্যক্রমে সীমাবদ্ধতা আসতে পারে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সীমান্ত পারাপারকে প্রভাবিত করতে পারে।

দুই দেশের সরকার উভয়ই এই পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে, তবে বাস্তবিক পদক্ষেপে পার্থক্য দেখা দিতে পারে। ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং কূটনৈতিক কর্মীদের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা অগ্রাধিকার হবে।

এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা দু’দেশের সম্পর্কের দিকনির্দেশনা এবং আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলকে ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করবে। নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয় পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments