28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাক্রিস ওকসের শেষ বলের ছক্কা রেংপুর রাইডার্সকে পরাজিত করে সিলেট টাইটান্সকে ফাইনালে...

ক্রিস ওকসের শেষ বলের ছক্কা রেংপুর রাইডার্সকে পরাজিত করে সিলেট টাইটান্সকে ফাইনালে পাঠাল

বিপিএল এলিমিনেটর ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে সিলেট টাইটান্সকে শেষ বলের ছক্কা দিয়ে জয়ী করা হয়। শেষ ওভারে টাইটান্সের কাছে ছয় রান বাকি থাকলেও ইংলিশ অলরাউন্ডার ক্রিস ওকস আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শট খেলেন এবং বল সীমানা অতিক্রমের আগেই হাত উঁচিয়ে দিলেন। এই মুহূর্তে তিনি টিমকে ফাইনালে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি করেন।

ম্যাচের শুরুর দিকে সিলেট টাইটান্স ১১২ রান তাড়া করছিল, তবে ৪৪ রানে চারটি উইকেট হারিয়ে তারা মাঝপথে চাপের মুখে পড়ে। পঞ্চম উইকেটে সাম বিলিংস ও মেহেদি হাসান মিরাজের সংযোজন ৫০ রান যোগ করে টিমকে স্থিতিশীল করে। এই পার্টনারশিপের পরে টাইটান্সের স্কোর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, কিন্তু শেষ ওভারে রাইডার্সের বোলাররা চাপ বাড়ায়।

শেষ ওভারের পঞ্চম বলটিতে সৈয়দ খালেদ আহমেদ স্ট্রাইকে ছিলেন এবং দুই রান নেওয়ার সুযোগ ছিল। খালেদ দ্রুত দৌড়ে দ্বিতীয় রান নিতে চেয়েছিলেন, তবে ওকস তাকে থামিয়ে নিজের স্ট্রাইক নিলেন। শেষ বলের জন্য তিনি নিজে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিলেন।

বোলারদের কঠিন পিচের কারণে শটটি হাফ ভলির মতো ভাসমান ছিল, তবে ওকস বলটি সীমানা অতিক্রমের আগে হাত উঁচিয়ে ধরেছিলেন, যা তার আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ ছিল। শটটি ছক্কা হয়ে রেংপুর রাইডার্সের স্কোরে ছয় রান যোগ করে টাইটান্সকে জয়ী করায়।

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে ওকস জানান, শটটি খেলতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি জানতেন এটি ছক্কা হবে। তিনি যোগ করেন, “পিচটি বেশ ট্রিকি ছিল, তবে স্যাম বিলিংস ও আমাদের অধিনায়কের জুটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি ভাগ্যবান যে শেষ বলে উতরে যেতে পেরেছি, তবে তাদের দুজনের জন্যও এটা ভালো ফলাফল।” তিনি শেষ বলের আগে স্ট্রাইকে থাকা সৈয়দ খালেদকে থামিয়ে নিজের স্ট্রাইক নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

ওকস আরও বলেন, “দুই রান নিতে পারতাম, তবে তখন মনে হলো ছক্কা না হলে আমাদের জয় নিশ্চিত হবে না। তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে শটটি খেলেছি।” তিনি এটিকে “লটারির মতো” তুলনা করে বলেন, “আমাদের দুজনের মধ্যে যে কেউ শেষ বলটি খেলতে পারত, তবে আমি দায়িত্ব নিয়ে সুযোগ নিলাম এবং ভাগ্য আমাদের সঙ্গে ছিল।”

শেষ ওভারে সিলেটের মোট প্রয়োজন ছিল নয় রান। মূল ভরসা হিসেবে মইন আলি প্রথম বলেই দুই রান যোগ করেন, তবে পরের দুই ডেলিভারিতে ফাহিম আশরাফের ব্যাটে-বলেই কোনো রান না হয়। এই মুহূর্তে ওকসের ছক্কা টিমকে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়।

এই জয় সিলেট টাইটান্সকে ফাইনালে স্থান দেয়, যেখানে তারা পরের ম্যাচে শিরোপা জয়ের জন্য প্রস্তুতি নেবে। টিমের কোচ ও অন্যান্য খেলোয়াড়রা ওকসের শেষ বলের শটকে ম্যাচের মোড় পরিবর্তনকারী মুহূর্ত হিসেবে প্রশংসা করেছেন। ভবিষ্যতে টিমের কৌশল ও পার্টনারশিপের ওপর আরও জোর দেওয়া হবে বলে কোচের মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments